বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > আর রেফার নয়, স্ট্রোকের রোগীকে নিয়ে ছোটাছুটিও নয়, শুরু হচ্ছে পাইলট প্রজেক্ট
সময়ে চিকিৎসা পেলে বেঁচে যেতে পারেন স্ট্রোক হওয়া রোগী। প্রতীকী ছবি
সময়ে চিকিৎসা পেলে বেঁচে যেতে পারেন স্ট্রোক হওয়া রোগী। প্রতীকী ছবি

আর রেফার নয়, স্ট্রোকের রোগীকে নিয়ে ছোটাছুটিও নয়, শুরু হচ্ছে পাইলট প্রজেক্ট

  • পাইলট প্রজেক্টটি ঠিকঠাক হলে রাজ্যের অন্য়ান্য় হাসপাতালেও চালু হবে এই পরিষেবা।

উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস। আচমকাই স্ট্রোক হয়ে যেতে পারে। কিন্তু বহু ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে চিকিৎসা পান না স্ট্রোক হওয়া ব্য়ক্তি। তবে চিকিৎসা যদি ঠিকঠাক সময়ে শুরু হয় তবে দ্রুত সুস্থ হতে পারেন ওই ব্যক্তি। সেক্ষেত্রে এবার যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। এই বিশেষ পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে হাব অ্যান্ড স্পোক পদ্ধতি। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বাঙুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্সকে হাব হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। আর তার আওতায় সাতটি হাসপাতালকে বলা হচ্ছে স্পোক। মোটের উপর রোগী ও তার পরিজনদের হয়রানি কমাতে ও মৃত্যু এড়াতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে স্ট্রোক হওয়ার পরে রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অপর হাসপাতালে যাতে ছুটতে না হয় সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে স্বাস্থ্য দফতর। 

এক্ষেত্রে ওই সাতটি হাসপাতালের মধ্যে যে কোনও একটিতে রোগীকে নিয়ে আসা হলে সেখানেই তার চিকিৎসা শুরু হবে। তাকে অন্যত্র রেফার করা হবে না। কোনও সমস্যা দেখা দিয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বাঙুরের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। সেখান থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে স্ক্যানের রিপোর্ট দেখা হবে। এরপর রোগীর ঠিক কী ধরণের চিকিৎসার প্রয়োজন সেটা বাঙুর থেকেই জানিয়ে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে রোগীকে নিয়ে আর টানা হেঁচড়া করতে হবে না। এজন্য ওই সাতটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের আলাদা করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মূলত স্ট্রোক হওয়ার পর রোগীর যথাযথ চিকিৎসা শুরু হতে যাতে দেরি না হয় সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে স্বাস্থ্য় দফতর। পাইলট প্রজেক্টটি ঠিকঠাক হলে রাজ্যের অন্য়ান্য় হাসপাতালেও চালু হবে এই পরিষেবা। 

 

বন্ধ করুন