বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > উৎসশ্রীতে স্কুলে শূন্যপদ না থাকলে বদলির বিকল্প ব্যবস্থা শিক্ষা দফতরের
স্কুলের শূন্য পদের অভাবে বদলির বিকল্প ব্যবস্থা শিক্ষা দফতরের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
স্কুলের শূন্য পদের অভাবে বদলির বিকল্প ব্যবস্থা শিক্ষা দফতরের। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

উৎসশ্রীতে স্কুলে শূন্যপদ না থাকলে বদলির বিকল্প ব্যবস্থা শিক্ষা দফতরের

  • শিক্ষিকারা যদি শূন্য পদের অভাবে বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে নয়া স্কুলে যোগ দিতে না-পারেন, তাহলে প্রথমে উৎসশ্রী পোর্টালে ওই স্কুলের পদ খালি নেই বলে জানাতে হবে।
  • তারপর সেখানেই প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নিতে হবে

যে সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা উৎসশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে বদলির জন্য পোর্টালে আবেদনকেরেছিলেন, কিন্তু শূন্য পদের অভাবের কারণে সেই প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছিল, তাঁদের জন্য বিকল্প পথের বদলির উদ্যোগ নিল রাজ্যের শিক্ষা দফতর। 

মাধ্যমিক স্কুলগুলোর শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ ছিল, তাঁরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে নিয়োগপত্র প্রাপ্ত অথচ তার সত্ত্বেও উৎসশ্রী পোর্টালে আবেদন করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নয়া স্কুলে যোগ দিতে পারছিলেন না। আবার অনেক ক্ষেত্রে বিলম্বও হচ্ছিল। বিশেষ করে যে সমস্ত স্কুলে একক শিক্ষক বা পড়ুয়াদের তুলনায় শিক্ষকদের সংখ্যা কম সেই সমস্ত স্কুলের শিক্ষকক্ষক শিক্ষিকাদের আবেদন ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই সমস্যা মেটাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য। একইসঙ্গে দুর্গা পুজোর পর স্কুল খোলার তোরজোড় শুরু করেছে শিক্ষা দফতর। সেকারণে স্কুলগুলোর প্রয়োজনীয় মেরামতের জন্য অর্থও বরাদ্দ করা হয়েছে।

সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, নতুন স্কুলে বদলি নিয়ে যোগ দিতে আসা শিক্ষক শিক্ষিকারা যদি শূন্য পদের অভাবে বদলি সংক্রান্ত বিষয়ে নয়া স্কুলে যোগ দিতে না-পারেন, তাহলে প্রথমে উৎসশ্রী পোর্টালে ওই স্কুলের পদ খালি নেই বলে জানাতে হবে। তারপর সেখানেই প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নিতে হবে।

শুধু তাই নয়, যে স্কুলে যোগ দিতে গিয়েছিলেন শিক্ষকরা, সেই স্কুলে কেন যোগদানের ব্যবস্থা করা গেল না, স্কুলের প্রধান শিক্ষককে সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে জানাতে হবে। বদলির আবেদনকারী সেই শিক্ষক স্কুল থেকে প্রাপ্ত ওই চিঠি নিয়ে জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে যেতে হবে। জেলা স্কুল পরিদর্শক ওই শিক্ষকের জন্য অন্য স্কুল খুঁজে সেটা স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে বদলির সুপারিশের জন্য পাঠাতে হবে।

 

বন্ধ করুন