বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কলকাতায় পেট্রলের সেঞ্চুরির আগেই পাম্পে ৫ সংখ্যার ডিসপ্লে বোর্ড লাগানোর উদ্যোগ
পেট্রোল ১০০ ছোঁয়ার আগেই পাম্পগুলোতে ৫ সংখ্যার বৈদ্যুতিন বোর্ড লাগাতে উদ্যোগ। ছবি: এএনআই (ANI) (ANI PHOTO)
পেট্রোল ১০০ ছোঁয়ার আগেই পাম্পগুলোতে ৫ সংখ্যার বৈদ্যুতিন বোর্ড লাগাতে উদ্যোগ। ছবি: এএনআই (ANI) (ANI PHOTO)

কলকাতায় পেট্রলের সেঞ্চুরির আগেই পাম্পে ৫ সংখ্যার ডিসপ্লে বোর্ড লাগানোর উদ্যোগ

  • এই ডিসপ্লে প্যানেলে থাকলে, পেট্রলের সর্বোচ্চ দাম ৯৯.‌৯৯ টাকা স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

এরাজ্যে আগেই সেঞ্চুরি করে ফেলেছে পেট্রল। এবার কলকাতাতেও দু’‌সংখ্যার অঙ্ক ছাড়িয়ে তিন সংখ্যার ঘরে ঢুকতে চলেছে পেট্রলের দাম। অর্থাৎ এক লিটার পেট্রোলের দাম ১০০-‌র ঘর ছুঁতে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। মঙ্গলবার কলকাতার পাম্পগুলোতে লিটার প্রতি পেট্রলের দাম ছিল ৯৯.‌৮৪ টাকা।

তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে কোনওরকম বিভ্রান্তির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য একশোর ঘর ছোঁওয়ার আগেই পাঁচ সংখ্যার জন্যে উপযুক্ত বৈদ্যুতিন ডিসপ্লে প্যানেল লাগাতে চাইছে পাম্প মালিকেরা। তাঁদের মতে, এই ডিসপ্লে প্যানেলে থাকলে, পেট্রোলের সর্বোচ্চ দাম ৯৯.‌৯৯ টাকা স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা জুড়ে একাধিক পাম্পগুলিতে এখনও পুরানো ডিসপ্লে বোর্ড ব্যবহার করছেন পাম্প মালিকেরা। ইতিমধ্যেই ২ জুলাই এরাজ্যে প্রথমবার দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জায়গা ছাড়াও রবিবার নদিয়ার মতো কয়েকটি জেলায় এই সীমা অতিক্রম করেছে। তখনও কলকাতায় লিটার প্রতি দাম ছিল ৯৯.৬৫ টাকা। যা এই কদিনের মধ্যে আরও বেড়েছে।

বাংলার আগে পঞ্জাব, মহারাষ্ট্র, বিহার, রাজস্থান, কেরল, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, ওড়িশা, মণিপুর, জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখে পেট্রলের দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। পেট্রোলিয়াম বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‌রাজ্য সরকার যদি এই বছরের শুরুর দিকে ১ শতাংশ জ্বালানির উপরে ট্যাক্স না কমাত, তাহলে এই শহরে কবেই পেট্রোলের দামও তিন অঙ্কের সংখ্যা ছুঁয়ে যেত। পেট্রোলিয়াম পণ্যগুলিতে শুল্কের মধ্যে শুল্ক ও বিক্রয় কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আইওসিএল-এর এক আধিকারিক জানিয়েছে যে, তারা প্যানেলগুলি বদলানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন। তিনি বলেন যে, ‘‌ নতুন প্যানেল নির্মাণের সময় আমরা ‘‌২+২ অ্যাপ্রোচ’‌ গ্রহণ করেছি (দশমিকের আগে দু’‌টি সংখ্যা বাড়ানো)। কারণ, এত কম সময়ের মধ্যে জ্বালানির দাম এত বাড়বে, তা আমরা আগে কেউই ভাবতে পারিনি। তবে প্রয়োজনীয় বদল করা হবে।’‌ প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালের অক্টোবরে শেষবার এই বদল হয়েছিল। যখন জ্বালানির দাম একের সংখ্যা ছাড়িয়ে দুইয়ের ঘরে ঢুকেছিল।

 

এইচপিসিএলের এক প্রবীণ কর্তা বলেন, ‘‌আমরা এই নিয়ে যথেষ্ট সচেতন। ডিজিটাল প্যানেলগুলি বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আমরা বেশিরভাগ জ্বালানি বিতরণকারী যন্ত্রগুলোকে আপগ্রেড করেছি। ডিজিটাল বোর্ডগুলি শুধুমাত্র দিনের জ্বালানি মূল্য দেখানোর জন্য রয়েছে। এমনকী, সেগুলো খুব শিঘ্রই বদলে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আইওসিএল-এর এক আধিকারিক জানিয়েছে যে, তারা প্যানেলগুলি বদলানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন। তিনি বলেন যে, ‘‌ নতুন প্যানেল নির্মাণের সময় আমরা ‘‌২+২ অ্যাপ্রোচ’‌ গ্রহণ করেছি (দশমিকের আগে দু’‌টি সংখ্যা বাড়ানো)। কারণ, এত কম সময়ের মধ্যে জ্বালানির দাম এত বাড়বে, তা আমরা আগে কেউই ভাবতে পারিনি। তবে প্রয়োজনীয় বদল করা হবে।’‌ প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালের অক্টোবরে শেষবার এই বদল হয়েছিল। যখন জ্বালানির দাম একের সংখ্যা ছাড়িয়ে দুইয়ের ঘরে ঢুকেছিল।

|#+|

 

বন্ধ করুন