বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > তিলজলা ও চন্দননগরে অশান্তির অভিযোগ ধনখড়ের, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে তোপ রাজ্যকে
তিলজলা ও চন্দননগরে অশান্তির অভিযোগ ধনখড়ের, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে তোপ রাজ্যকে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
তিলজলা ও চন্দননগরে অশান্তির অভিযোগ ধনখড়ের, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে তোপ রাজ্যকে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

তিলজলা ও চন্দননগরে অশান্তির অভিযোগ ধনখড়ের, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে তোপ রাজ্যকে

  • আইন-শৃ্ঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আবারও রাজ্যকে তোপ দাগলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

আইন-শৃ্ঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আবারও রাজ্যকে তোপ দাগলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। অভিযোগ করলেন, কলকাতার তিলজলায় অশান্তি হয়েছে। সেইসঙ্গে চন্দনগরে সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের গাড়িতে হাত চাপড়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার টুইটারে ধনখড় বলেন, ‘চন্দননগর এবং বালিগঞ্জের তিলজলা এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে অবশ্যই সবরকমের ব্যবস্থা নিতে হবে। পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হওয়া থেকে আটকাতে পদক্ষেপ করার জন্য কলকাতা পুলিশ এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে কড়া বার্তা (দেওয়া হচ্ছে)। দায়িত্বপ্রাপ্তদের জবাবদিহি করার সময় এসে গিয়েছে।’ সেইসঙ্গে পুলিশকে ‘পক্ষপাতমূলক স্বার্থ’-র উপরে ওঠারও নির্দেশ দিয়েছেন ধনখড়। যিনি প্রায়শই রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে তোগ দাগেন।

কলকাতার কোথাও কোনও অশান্তির বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, কলকাতার দক্ষিণ-পূর্ব এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ছোটোখাটো বিবাদ হয়। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলার খবর মিলেছে। হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। তবে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে কলকাতা পুলিশের বাহিনী এবং র‌্যাফ। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন কলকাতা পুলিশের (দক্ষিণ-পূর্ব ডিভিশন) এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। পুলিশের তরফে একটি বৈঠকও করা হয়।

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার হুগলির পান্ডুয়া হাসপাতালে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য রওনা দেন লকেট। কিন্তু হাসপাতালে ঢোকার আগে তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা বিক্ষোভ দেখিয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, গত তিন বছর এলাকায় দেখা মেলেনি সাংসদের। এখন এসেছেন। আর লকেটের গাড়িতে হামলা চালানো নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা খারিজ করে দিয়েছে তৃণমূল। শাসক দলের নেতাদের বক্তব্য, ভোটের সময় হুগলির সাংসদ তো নিজে নিজেই গাড়ির কাঁচ ভেঙেছিলেন।

বন্ধ করুন