বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > BJP-র কোন্দল রুখতে ব্যর্থ সুকান্ত-শুভেন্দু, 'মুচকি হাসা' দিলীপের প্রশংসায় জাগো বাংলা
দিলীপের প্রশংসা করল তৃণমূলের মুখপাত্র। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএনআই)
দিলীপের প্রশংসা করল তৃণমূলের মুখপাত্র। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএনআই)

BJP-র কোন্দল রুখতে ব্যর্থ সুকান্ত-শুভেন্দু, 'মুচকি হাসা' দিলীপের প্রশংসায় জাগো বাংলা

  • দিলীপের প্রশংসা করল তৃণমূলের মুখপাত্র। 

সম্প্রতি একের পর এক হোয়্যাটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন বিদ্রোহী বিজেপি নেতা বিধায়করা। দলের একাধিক হোয়্যাটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন বিজেপি নেতারা। আর অন্দরের এই দ্বন্দ্বকে হাতিয়ার করে এবার একের পর এক বিজেপিকে নিশানা করা হল তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলায়। 

বিজেপির অন্দরের ত্রিমুখী লড়াইকে 'সুকান্ত (মজুমদার)- শুভেন্দু (অধিকারী)' সামলাতে পারছেন না বলে মুখপত্রের সম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কমিটি থেকে বাদ পড়া তিন নেতা শাসক দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং তাঁরা তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বলেও দাবি করা হয়েছে জাগো বাংলার সম্পাদকীয়তে।

জাগো বাংলায় দাবি করা হয়েছে, দলের অন্দরে যে কোন্দল শুরু হয়েছে, তা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষে থামানো সম্ভব নয়। এ বিষয়টি উল্লেখ করে সুকান্ত মজুমদারের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে জাগো বাংলায়। অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও দলের কোন্দল সামলাতে পারবেন না বলেই দাবি করা হয়েছে। সম্পাদকীয় লেখা হয়েছে, 'এলাকায় নিজের অস্তিত্ব সামলাতে গিয়ে নাকানিচোবানি খেতে হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীকে। তৃণমূলে থাকার সময় তিনি তা বুঝতে পারেননি। এখন পদে পদে সে কথা বুঝতে পারছেন।' এক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষ থাকলে বিজেপির অন্দরের কোন্দল কিছুটা কমানো সম্ভব হত বলেই দাবি করা হয়েছে জাগো বাংলায়।

একইসঙ্গে, দলীয় নেতাদের অসন্তোষ মেটাতে বিজেপি নেতারা জয়প্রকাশ মজুমদারের বাড়িতে দলের যে বৈঠক হয়েছে সেই বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে সম্পাদকীয়তে। এককথায় বিজেপির দলীয় কোন্দলকে হাতিয়ার করেই জাগো বাংলা সম্পাদকীয় একের পর এক নিশানা করা হয়েছে। সম্পাদকীয়তে কিন্তু দিলীপের প্রশংসা করা হয়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, 'সময়ের আগেই বিতাড়িত দিলীপ ঘোষ রিংয়ের বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আর এসব দেখে মুচকি হাসছেন।'

যদিও বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার জাগো বাংলার এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলেই মনে করছেন। তিনি বলেছেন, 'গণশক্তিতে যেমন সিপিএম দলীয় মতামত প্রকাশ করে, তেমনই জাগো বাংলায় তৃণমূল তাদের দলীয় মতামত প্রকাশ করে। তাতে বেশিরভাগ অংশই থাকে আকাশকুসুম কল্পনা। আসলে এই ধরনের সংবাদপত্রের কোনও দায়বদ্ধতা থাকে না।'

অন্যদিকে, জাগো বাংলায় এত কিছু দাবি করা হলেও একে শাসক দলের এক প্রকারের কৌশল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, বিজেপির অন্দরের কোন্দলকে কাজে লাগাতে চাইছে শাসক দল।

বন্ধ করুন