বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘কলকাতা পুরসভা ঝুকেগা নেহি, জোড়াফুল মানে ফায়ার’ বললেন কাউন্সিলর অনন্যা
অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে ফেসবুক)

‘কলকাতা পুরসভা ঝুকেগা নেহি, জোড়াফুল মানে ফায়ার’ বললেন কাউন্সিলর অনন্যা

  • বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে এখনই বক্তব্য শোনা গেল ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। 

জনপ্রিয় দক্ষিণী সিনেমা ‘পুষ্পা’-র ডায়লগ এখন সকলের মুখে মুখে। পুরসভা নির্বাচনের প্রচারে অনেক রাজনৈতিক নেতা এই ডায়লগকে ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারকে আরও জোরালো করতে চেয়েছিলেন। এবার কলকাতা পুরসভার বাজেট অধিবেশনেও শোনা গেল পুষ্পার সেই জনপ্রিয় ডায়লগ। পুরসভার কাউন্সিলর মুখে শোনা গেল ‘কেএমসি ঝুকেগা নেহি। জোড়াফুল মানে শুধু ফ্লাওয়ার নয় ফায়ার।’ বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে এখনই বক্তব্য শোনা গেল ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে।

তিনি বলেন, ‘করোনা থেকে শুরু করে আমফানে নিরলস কাজ করে গিয়েছে কলকাতা পুরসভা। আগামিদিনেও করে যাবে।’ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কেএমসি ঝুকেগা নেহি।’ তবে কলকাতা পুরসভার বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে প্রথম দিন হইচই বাঁধে। করোনা টিকা নিয়ে সরব হতে দেখা যায় বিরোধীদের। পাশাপশি লকডাউনের সময় মানুষকে যেভাবে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল, তা নিয়েও এদিন বিরোধীরা গর্জে ওঠেন। অন্যদিকে, বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে পেনশন বিতর্ক নিয়ে হইচই বাঁধে পুরসভা কক্ষে। পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ।

সূত্রের খবর, পুরসভার বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মী পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি পাচ্ছেন না। এই নিয়ে পুরসভার অধিবেশনে সরব হতে দেখা যায় সজল ঘোষকে। পাল্টাও তৃণমূল কাউন্সিলরাও চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেন। যদিও অধিবেশন শেষে পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘কোনও কর্মীর পেনশন ও গ্রাচ্যুইটি আটকানো হয়নি। শুধুমাত্র যারা পেনশন বিক্রি করতে চান তাদের পেনশন আটকানো হয়েছিল সেটাও তাদের সুবিধার্থে। বর্তমানে পুরসভার আর্থিক সমস্যা অনেকটাই কেটেছে। অনলাইনে রাজস্ব আদায়ের ফলে আমরা সেই সমস্যা থেকে কিছুটা মুক্তি পেয়েছি।

বন্ধ করুন