বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > মুখ্যমন্ত্রীর বিমানে বিভ্রাট কেন?‌ কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের
মুখ্যমন্ত্রীর বিমান বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছিল। (ছবি, সৌজন্য ফেসবুক @aaikolairport)
মুখ্যমন্ত্রীর বিমান বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছিল। (ছবি, সৌজন্য ফেসবুক @aaikolairport)

মুখ্যমন্ত্রীর বিমানে বিভ্রাট কেন?‌ কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

  • এবার কলকাতা হাইকোর্টকে কেন্দ্রীয় বিমান মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, কোনও চক্রান্ত বা গাফিলতির তথ্য মেলেনি। সেই তথ্য কতটা সত্য তা খতিয়ে দেখতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট। তাই সেন্ট্রাল সিকিউরিটি এজেন্সিকে বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশ থেকে নির্বাচনী প্রচার সেরে ফেরার সময় মুখ্যমন্ত্রীর বিমান বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছিল। তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিলেন। এই ঘটনা নিয়ে আজ, সোমবার কোনও চক্রান্ত বা গাফিলতি ছিল না বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিমান মন্ত্রকের আইনজীবী বিল্লদ্বল ভট্টাচার্য। এবার মুখ্যমন্ত্রীর বিমানে গোলযোগ নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় সেন্ট্রাল সিকিউরিটি এজেন্সিকে দু’‌সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

কেন্দ্রের বক্তব্য ঠিক কী?‌ এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় বিমান মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ঘটনায় কোনও চক্রান্তের গন্ধ নেই। এমনকী কেন্দ্রের নিরাপত্তা মন্ত্রকের রিপোর্টে তার উল্লেখ আছে। তবে ওই রিপোর্টের গোপনীয়তা রক্ষার প্রয়োজন। ওই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা যাবে না। কলকাতা হাইকোর্ট চাইলে রিপোর্টটি শুধুমাত্র বিচারপতির কাছে পেশ করা যেতে পারে। যদিও কেন্দ্রকে ওই রিপোর্ট হলফনামার মাধ্যমে মুখ বন্ধ খামে জমা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৮ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য কী ছিল?‌ এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, উত্তরপ্রদেশ থেকে কলকাতায় নামার সময় দুটো বিমান মুখোমুখি এসে গিয়েছিল। পাইলটের বুদ্ধিমত্তার জেরেই কোনওরকমে রক্ষা পেয়েছেন তিনি। ১০ সেকেণ্ড এদিক–ওদিক হলে বড় বিপদ হয়ে যেতে পারত। এই ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছিল ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ)। বিমান বিভ্রাট নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারের হলফনামা চায় কলকাতা হাইকোর্ট।

এবার কলকাতা হাইকোর্টকে কেন্দ্রীয় বিমান মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, কোনও চক্রান্ত বা গাফিলতির তথ্য মেলেনি। সেই তথ্য কতটা সত্য তা খতিয়ে দেখতে চায় কলকাতা হাইকোর্ট। তাই সেন্ট্রাল সিকিউরিটি এজেন্সিকে বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। তাও দু’‌সপ্তাহের মধ্যে। সেই রিপোর্ট দেখেই পরবর্তী নির্দেশ দেবে কলকাতা হাইকোর্ট।

বন্ধ করুন