বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > অপারেশন জ্যাকই ধরিয়ে দিল জয়পাল সিং ভুল্লারকে, কে ছিল ঘটনার নেপথ্যে?
নিউটাউনের অভিজাত আবাসনে গা–ঢাকা দিয়েছে পাঞ্জাবের কুখ্যাত দুই গ্যাংস্টার। ছবি সৌজন্য–এএনআই।
নিউটাউনের অভিজাত আবাসনে গা–ঢাকা দিয়েছে পাঞ্জাবের কুখ্যাত দুই গ্যাংস্টার। ছবি সৌজন্য–এএনআই।

অপারেশন জ্যাকই ধরিয়ে দিল জয়পাল সিং ভুল্লারকে, কে ছিল ঘটনার নেপথ্যে?

  • কুখ্যাত গ্যাংস্টার জয়পাল সিং ভুল্লারকে ধরতে বহুদিন ধরে বহু চেষ্টা করেছিল পাঞ্জাব পুলিশ।

‘‌অপারেশন জ্যাক’‌ কী?‌ কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, কোনও কুখ্যাত অপরাধীকে ধরতে গেলে তার অবস্থান এবং গতিপ্রকৃতি যার মাধ্যমে জানা যায় তাকেই বলা হয় ‘‌অপারেশন জ্যাক’‌। নিউটাউনে পাঞ্জাবি গ্যাংস্টারকে ধরতেও ‘‌অপারেশন জ্যাক’‌ কাজে লাগিয়েছিল এসটিএফ। কুখ্যাত গ্যাংস্টার জয়পাল সিং ভুল্লারকে ধরতে বহুদিন ধরে বহু চেষ্টা করেছিল পাঞ্জাব পুলিশ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এসটিএফের নাগালে এল জয়পাল সিং ভুল্লার। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কে এই ‘‌অপারেশন জ্যাক’‌?‌ পুলিশের গুলিতেই নিকেশ জয়পাল সিং ভুল্লার ও যশপ্রীত সিং। পুলিশের অপারেশন জ্যাক হয়েছিল ভরত কুমার।

কে এই ভরত কুমার?‌ পাঞ্জাব পুলিশের ডিজিপি দিনকর গুপ্তা জানান, এই গ্যাংস্টার খুন করে পাঞ্জাবের দুই এএসআই–কে। বুধবার তারা গ্রেফতার করে ভরত কুমার নামে এক ব্যক্তিকে। সূত্রের খবর, জয়পালকে লজিস্টিক দিয়ে সাহায্য করত এই ভরত কুমার। সেই পুলিশে বলে দেয় জয়পালের অবস্থান। এই ভরত কুমারই হযে উঠে পুলিশের অপারেশন জ্যাক।

পুলিশকে ভরত কুমার জানায়, কলকাতার একটি আবাসনে লুকিয়ে আছে জয়পাল এবং যশপ্রীত। তা শুনেই বিমানে কলকাতায় পাঠানো হয় পাঞ্জাব পুলিশের একটি টিম। তাঁরা কলকাতা পুলিশকেও সব তথ্য জানান। ঠিক কোথায় তারা লুকিয়ে আছে?‌ তা এসটিএফ–কে জানিয়ে দেয় পাঞ্জাব পুলিশ। সেই সূত্র ধরে এগিয়েই সাফল্য আসে। ডিজিপি এই অপারেশনের জন্য এসটিএফকে ধন্যবাদ জানান।

কে এই ভরত কুমার?‌ পাঞ্জাব পুলিশের ডিজিপি দিনকর গুপ্তা জানান, এই গ্যাংস্টার খুন করে পাঞ্জাবের দুই এএসআই–কে। বুধবার তারা গ্রেফতার করে ভরত কুমার নামে এক ব্যক্তিকে। সূত্রের খবর, জয়পালকে লজিস্টিক দিয়ে সাহায্য করত এই ভরত কুমার। সেই পুলিশে বলে দেয় জয়পালের অবস্থান। এই ভরত কুমারই হযে উঠে পুলিশের অপারেশন জ্যাক।

পুলিশকে ভরত কুমার জানায়, কলকাতার একটি আবাসনে লুকিয়ে আছে জয়পাল এবং যশপ্রীত। তা শুনেই বিমানে কলকাতায় পাঠানো হয় পাঞ্জাব পুলিশের একটি টিম। তাঁরা কলকাতা পুলিশকেও সব তথ্য জানান। ঠিক কোথায় তারা লুকিয়ে আছে?‌ তা এসটিএফ–কে জানিয়ে দেয় পাঞ্জাব পুলিশ। সেই সূত্র ধরে এগিয়েই সাফল্য আসে। ডিজিপি এই অপারেশনের জন্য এসটিএফকে ধন্যবাদ জানান।|#+|

উল্লেখ্য, জয়পাল ও তার গ্যাং–এর লোকেরা অস্ত্র ব্যবসা, মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল। পাঞ্জাবে তাদেরই গ্যাং প্রকাশ্যে পুলিশকর্মীকে খুন করে। তখন থেকেই ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ এই গ্যাংস্টারদের খোঁজ করছিল পাঞ্জাব পুলিশ। কিন্তু তারা কলকাতার এসে গা ঢাকা দিয়েছিল। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাতেই নিউটাউনে সাপুরজির আবাসন ঘিরে ফেলে এসটিএফ।

বন্ধ করুন