বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বিশেষ করিডর করবে কলকাতা পুলিশ,কালোবাজারি রুখতে বাড়তি নজর
অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বিশেষ করিডর করবে কলকাতা পুলিশ,কালোবাজারি রুখতে বাড়তি নজর। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বিশেষ করিডর করবে কলকাতা পুলিশ,কালোবাজারি রুখতে বাড়তি নজর। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

অক্সিজেন সরবরাহের জন্য বিশেষ করিডর করবে কলকাতা পুলিশ,কালোবাজারি রুখতে বাড়তি নজর

অক্সিজেন সিলিন্ডার এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে হলে যেন পুলিশকে জানানো হয়, তাহলে বিশেষ করিডরের ব্যবস্থা করা হবে। সেজন্য দুটি হেল্পলাইন নম্বর দেওয়া হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে দেশ জুড়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে প্রবল সংকট দেখা দিয়েছে।অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংকট দেখা দিচ্ছে এই রাজ্যেও। এবার তাই অক্সিজেন সিলিন্ডারের কালোবাজারি রুথতে বিশেষ উদ্যোগ নিল কলকাতা পুলিশ। পাশাপাশি অক্সিজেন সিলিন্ডার এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় দ্রুত পৌঁছে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিল কলকাতা পুলিশ।

অক্সিজেন সরবরাহ যাতে দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে, সেজন্যও কলকাতা পুলিশের তরফে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও অক্সিজেন সরবরাহকারীদের কাছে কলকাতা পুলিশের তরফে আবেদন জানানো হয়েছে, অক্সিজেন সিলিন্ডার এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে হলে যেন পুলিশকে জানানো হয়, তাহলে বিশেষ করিডরের ব্যবস্থা করা হবে, যার মাধ্যমে দ্রুত অক্সিজেন গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।সেজন্য দুটি হেল্পলাইনও দেওয়া হয়েছে। সেই হেল্পলাইন দুটি হল - ০৩৩২২৫০৫০৯৬, ০৩৩২২১৪৩৬৪৪।

সেইসঙ্গে অক্সিজেন সিলিন্ডারের কালোবাজারি বন্ধ করতে বিশেষ দল গঠন করেছে কলকাতা পুলিশ। দোকানদাররা যাতে ইচ্ছেমতো দাম হাঁকিয়ে যাতে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিক্রি করতে না পারেন, সেজন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখার এক কর্তা জানান, ‘‌শহরে অক্সিজেনের কালোবাজারি সম্পূর্ণ বন্ধ করতে বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছে। দলে আছেন আটজন ইবির আধিকারিক ও পুলিশকর্মী। ইতিমধ্যে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাতে শুরু করেছে সেই দল। যে ওষুধের দোকানগুলি অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করে, সেগুলির তালিকা তৈরি হচ্ছে। কোন ধরনের অক্সিজেন সিলিন্ডার, কত সংখ্যায় মজুত করা হয়েছে, তার হিসাব নিতে শুরু করেছেন গোয়েন্দারা। কোনও দোকানের গোডাউনে অতিরিক্ত সংখ্যক অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত করা রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আবার কোনও দোকানে যদি মজুত না থাকে, তাতে সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে কিনা, সেই বিষয়টিও জানার চেষ্টা করছে এই বিশেষ টিম।’‌

বন্ধ করুন