বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > জব্দ শব্দদানব, কড়া পুলিশি নজরদারিতে কালীপুজোর রাতে নিশ্চিন্ত ঘুম কলকাতার
কালী পুজোর রাতে আলোয় সেজেছে কালীঘাট মন্দির ও সংলগ্ন এলাকা। নেই আতসবাজির ঝলকানি। ছবি: পিটিআই। (PTI)
কালী পুজোর রাতে আলোয় সেজেছে কালীঘাট মন্দির ও সংলগ্ন এলাকা। নেই আতসবাজির ঝলকানি। ছবি: পিটিআই। (PTI)

জব্দ শব্দদানব, কড়া পুলিশি নজরদারিতে কালীপুজোর রাতে নিশ্চিন্ত ঘুম কলকাতার

  • দূষণ নিয়ে লাগাতার প্রচার এতকাল বিফলে গেলেও অতিমারীর আতঙ্ক ও পুলিশি নজরদারি প্রায় শব্দহীন রাখল মহানগরীকে।

কালীপুজোর রাতে অভিনব নজির গড়ল কলকাতা। দূষণ নিয়ে লাগাতার প্রচার এতকাল বিফলে গেলেও অতিমারীর আতঙ্ক প্রায় শব্দহীন রাখল মহানগরীকে।

প্রতি বছর কালীপুজোর রাতে আতসবাজির আলোয় ঝলমল করে কলকাতার আকাশ। শব্দবাজির তাণ্ডবে প্রাণ ওষ্ঠাগত হয় শহরবাসীর। কিন্তু কোভিড আবহে শনিবার কালীপুজোয় এই সমস্ত উৎপাত প্রায় পোহাতেই হয়নি তিলোত্তমার বাসিন্দাদের।

গতকাল সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আশ্চর্যজনক শান্ত ছিল শহরের অলিগলি থেকে রাজপথ। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া মোটামুটি শান্তিতেই কালীপুজোর রাত কাটাতে পেরেছেন নগরবাসী। 

কালীপুজোয় বাজি পোড়ানোর উপরে আরোপ করাল প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা যাতে যথাযথ পালন করা হয়, তা নিশ্চিত করতে শহরের ছোটখাটো থেকে বড় রাস্তায় পুলিশি নজরদারি ছিল খুবই কড়া। আইনের ফাঁক গলে তবু কিছু ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ, হয়েছে বেশ কিছু ধরপাকড়ও। আর এই কড়াকড়ির জেরেই নিরুপদ্রব কালীপুজো উপভোগ করতে পেরেছেন কলকাতাবাসী, এমনই দাবি লালবাজারের। এই ব্যবস্থা আজ রবিবার, দীপাবলিতেও বহাল থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছে কলকাতা পুলিশ।

কোভিড সংক্রমণের বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে চলতি বছর উৎসবে বাজি পোড়ানোর উপরে নিষেধাজ্ঞাআরোপ করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই নির্দেশ মেনে সতর্কতামূলক অগ্রিম অভিযানে নামে পুলিশ, দফায় দফায় উদ্ধার হয় প্রচুর নিষিদ্ধ শব্দবাজি ও আতসবাজি। একই সঙ্গে নিরন্তর প্রচারে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপরেও জোর দেয় প্রশাসন। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন বাজি ব্যবসায়ীরাও।

এত প্রস্তুতি সত্ত্বেও শনিবার রাত বাড়লে দক্ষিণ কলকাতারল কিছু এলাকায় বাজি পোড়ানোর ঘটনা ঘটে। এ দিনই মানিকতলা থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণে নিষিদ্ধ বাজি।

বন্ধ করুন