বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > সিভিক ভলেন্টিয়াররা গাড়িতে ‘‌পুলিশ স্টিকার’‌ লাগাতে পারবেন না, জারি নির্দেশিকা
লালবাজার। ফাইল ছবি
লালবাজার। ফাইল ছবি

সিভিক ভলেন্টিয়াররা গাড়িতে ‘‌পুলিশ স্টিকার’‌ লাগাতে পারবেন না, জারি নির্দেশিকা

  • অনেক সিভিক ভলেন্টিয়ার আছেন যাঁরা মোটরবাইকে ঘুরে বেড়ান। তাঁদের মোটরবাইকের সামনে সাঁটানো আছে ‘‌পুলিশ’‌ স্টিকার।

এবার সিভিক ভলেন্টিয়ারদের প্রতি কড়া নির্দেশ জারি করল কলকাতা পুলিশ। কলকাতা শহরজুড়ে যে সিভিক ভলেন্টিয়াররা কাজ করেন তাঁরা আর গাড়িতে ‘পুলিশ’ স্টিকার সাঁটাতে পারবেন না। আজ এই কড়া নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার। কয়েকদিন আগে বাঁশদ্রোণীতে পুলিশের ভুয়ো গাড়ি ধরা পড়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নিল লালবাজার। অনেক সিভিক ভলেন্টিয়ার আছেন যাঁরা মোটরবাইকে ঘুরে বেড়ান। তাঁদের মোটরবাইকের সামনে সাঁটানো আছে ‘‌পুলিশ’‌ স্টিকার। সেটা আর করা যাবে না।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৫ অগস্ট কলকাতার বাঁশদ্রোণী এলাকায় পুলিশের স্টিকার লাগানো একটি সুমো গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মেরে বাঁশদ্রোণী কালীতলা মোড় এলাকার একটি মন্দিরে ঢুকে যায়। এক ভ্যানচালককে ধাক্কাও মারে গাড়িটি। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমেই সামনে আসে জালিয়াতির ঘটনা। কলকাতায় ভুয়ো পুলিশের গাড়ির হদিশ প্রকাশ্যে চলে আসে।

বাঁশদ্রোণীর ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সরষের মধ্যেই ভূত। গাড়িটি একটি সিভিক ভলেন্টিয়ারের গাড়ি। কোনও পুলিশের গাড়ি নয়। পুলিশের স্টিকার সাঁটিয়ে গাড়িটি নিয়ে শহর চষে বেড়ানো হতো। সিভিক ভলেন্টিয়ারের নাম দেবাশিস ভট্টাচার্য। এই ঘটনায় ঘটনাস্থলে এসেছিলেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র এবং ডিসি রাশিদ মুনির খান। তারপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং আজ তা নির্দেশিকা হিসাবে জারি করা হয়েছে।

লালবাজারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, কোনও সিভিক ভলেন্টিয়ার তাঁর গাড়িতে পুলিশ স্টিকার লাগাতে পারবে না। এই মর্মে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। প্রত্যেক থানায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে সেই নির্দেশিকার কপি। এরকম ঘটনা ঘটলে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বন্ধ করুন