বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > CCTV Camera: বাড়ছে আরও ৩৫০০ সিসিটিভি ক্যামেরা, কেন এমন তৎপরতা শুরু করল লালবাজার?

CCTV Camera: বাড়ছে আরও ৩৫০০ সিসিটিভি ক্যামেরা, কেন এমন তৎপরতা শুরু করল লালবাজার?

টার্গেট নেওয়া হল শহরের প্রতিটি অলিগলি পুলিশ–ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়া।

কোনও অপরাধ বা দুর্ঘটনায় যুক্ত গাড়ির নম্বর কন্ট্রোল রুমের সার্ভারে দিলেই কোন কোন রাস্তা দিয়ে গাড়িটি গিয়েছে, তা বলে দেবে এএনপিআর ক্যামেরা। এএনপিআর ক্যামেরার জালে পালাতে পারবে না কোনও গাড়ি। পুলিশের হাতে চলে আসবে গাড়ির স্যাটেলাইট ম্যাপ। এসব ক্ষেত্রে কাজে আসবে এই অত্যধুনিক সিসি ক্যামেরা।

সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে দেশের সেরা শহর হওয়াই নতুন বছরের ‘রেজোলিউশন’ লালবাজারের। তাই ২০২৩ সালের শুরু থেকেই তৎপর শুরু করেছেন পুলিশ কর্তারা। এবার টার্গেট নেওয়া হল শহরের প্রতিটি অলিগলি পুলিশ–ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়া। আর অপরাধ রুখতে শহরে বসানো হচ্ছে সাড়ে তিন হাজার ক্যামেরা। শহরের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বিশেষত দুর্ঘটনায় দ্রুত দোষীর নাগাল পেতে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সাহায্য করে পুলিশকে।

ঠিক কী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ১২০০ ক্যামেরা বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। আরও বাড়তি নজরদারি করতে শহরের রাস্তায় বসতে চলেছে সিসি ক্যামেরা। কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে আরও ৩৫০০ সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে। উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন সিসি ক্যামেরা দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা, নির্জন বসতি, শহরের ফাঁকা জায়গা অর্থাৎ পুলিশের নজর এড়িয়ে অপরাধ সংগঠিত হতে পারে সেই সমস্ত জায়গাতেও বসানো হচ্ছে।

ঠিক কী বলছে লালবাজার?‌ এই মুহূর্তে শহরকে মুড়ে রেখেছে প্রায় আড়াই হাজার পুলিশ ক্যামেরা। তাতে সর্বদা নজরদারি করে লালবাজারের কন্ট্রোল রুম। ২০২২ সাল ধরে চলেছে সমীক্ষা। শহরে আর কোথায় কোথায় ক্যামেরার প্রয়োজন রয়েছে, তা খতিয়ে দেখেন কর্তারা। তারপরই চিহ্নিত জায়গাগুলিতে ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী পাঁচ বছরে শহরকে প্রায় ১০ হাজার ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে। বিজ্ঞানসম্মতভাবে এলাকা চিহ্নিত করে বসানো হবে ক্যামেরাগুলি। শহরকে আরও সুরক্ষিত করতে দ্বিগুণ বিশেষ প্রযুক্তি সম্পন্ন সিসি ক্যামেরা বসানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

কেন এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে?‌ কোনও অপরাধ বা দুর্ঘটনায় যুক্ত গাড়ির নম্বর কন্ট্রোল রুমের সার্ভারে দিলেই কোন কোন রাস্তা দিয়ে গাড়িটি গিয়েছে, তা বলে দেবে এএনপিআর ক্যামেরা। এএনপিআর ক্যামেরার জালে পালাতে পারবে না কোনও গাড়ি। পুলিশের হাতে চলে আসবে গাড়ির স্যাটেলাইট ম্যাপ। শহরের ‘এন্ট্রি’ ও ‘এগজিট’ পয়েন্ট মিলিয়ে মোট ২৫টি এএনপিআর ক্যামেরা রয়েছে। শহরের প্রচলতি অপরাধের (খুন, ডাকাতি, ধর্ষণ, মহিলাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা) সংখ্যা কমেছে। কলকাতা পুলিশের ২০২২ সালের রিপোর্ট বলছে, গত বছরে শহরে ৩৪টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। ২০২১ সালে সেই সংখ্যাটি ছিল ৪৫। ২০২২ সালে কলকাতায় ২১টি ডাকাতির অভিযোগ জমা পড়েছে। এসব ক্ষেত্রে কাজে আসবে এই অত্যধুনিক সিসি ক্যামেরা।

বন্ধ করুন