সোমবার সকালে কলকাতা থেকে জেলার পথে একটি বাস।
সোমবার সকালে কলকাতা থেকে জেলার পথে একটি বাস।

শেষ মুহূর্তে বাড়ি ফেরার ধুমে বাসে বাদুড়ঝোলা ভিড়, বাড়ল করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা

  • তবে সোমবার সকালে ধর্মতলা থেকে রাজ্যের জেলা সদরগুলির উদ্দেশে কয়েকটি বাস ছেড়েছে। তবে সেগুলির কোনওটিতেই তিল ধারণের জায়গা ছিল না।

করোনাভাইরাস রুখতে রাজ্যজুড়ে লকডাউন শুরু হওয়ার আগেই ভয়ের ছবি কলকাতার ধর্মতলা থেকে বড় বাজারে। বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কলকাতা থেকে গ্রামে ফিরলেন কয়েক হাজার মানুষ। সকাল থেকে ধর্মতলা বাস স্ট্যান্ড থেকে যে কটি বাস ছেড়েছে তাতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। বাস বন্ধ থাকায় ভিনরাজ্যের শ্রমিকরা ‘দেশে’ ফিরেছেন মাইক্রো ট্রাক বা মিনি ট্রাকে। আর এতেই সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার বিকেল ৫টা থেকে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত শহরে শুরু হয়েছে লকডাউন। সরকারি নির্দেশ জারি হয়েছিল রবিবার সন্ধ্যায়। তার পরই বড় বাজারে কর্মরত বিহারি শ্রমিকরা কলকাতা ছাড়তে শুরু করেন। কিন্তু আগে থেকেই বন্ধ আন্ত রাজ্য বাস পরিষেবা। ফলে মাইক্রো বা মিনি ট্রাক ভাড়া করে ঠাসাঠাসি করে বাড়ি ফেরেন তাঁরা। রবিবার রাত থেকে বড়বাজার এলাকা থেকে এরকম প্রায় ১৫০ ট্রাক ছেড়েছে বলে খবর।

তবে সোমবার সকালে ধর্মতলা থেকে রাজ্যের জেলা সদরগুলির উদ্দেশে কয়েকটি বাস ছেড়েছে। তবে সেগুলির কোনওটিতেই তিল ধারণের জায়গা ছিল না। বাসের ভিতরে তো বটেই মাথাতেও ছিল বাদুড়ঝোলা ভিড়। এভাবেই শেষ মুহূর্তে শহর ছাড়েন হাজার হাজার মানুষ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে শহর ছাড়ায় গ্রামাঞ্চলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা কয়েক গুণ বেড়ে গেল। বাসে ঠাসাঠাসি ভিড়ের মধ্যে একজন করোনাভাইরাস আক্রান্তের থেকে একাধিক সহযাত্রীর সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁরা বাড়ি ফিরে হোম আইসোলেশনে না থাকলে সেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে গ্রামবাসীদের মধ্যেও। তাই কলকাতা থেকে যাঁরা সম্প্রতি গ্রামে ফিরেছেন তাদের গৃহবন্দি থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।



বন্ধ করুন