বুধবার রাতে স্থানীয়দের বাধা পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন পিপিই পরা এক প্রশাসনের কর্মী।
বুধবার রাতে স্থানীয়দের বাধা পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন পিপিই পরা এক প্রশাসনের কর্মী।

গভীর রাতে করোনায় মৃতের দেহ সৎকার করতে গিয়ে বারাকপুরে বিক্ষোভের মুখে পুলিশ

  • গত কয়েকদিন গভীর রাতে এই শ্মশানে একই ভাবে একের পর এক দেহ সৎকার করা হয়েছে। তার পর আর শ্মশানের ঘারে কাছে ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না স্থানীয়দের।

ফের গভীর রাতে অজ্ঞাতপরিচয় মৃতদেহ দাহ করতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধায় পিছু হঠতে হল প্রশাসনকে। আর এবার ঘটনা বারাকপুরের রাসমণি ঘাটের। ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন কাউন্সিলর।

অভিযোগ, বুধবার রাতে বারাকপুর পুর এলাকার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের ওই শ্মশানে দেহ নিয়ে আসেন প্রশাসনের কর্মীরা। তখনই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, গত কয়েকদিন গভীর রাতে এই শ্মশানে একই ভাবে একের পর এক দেহ সৎকার করা হয়েছে। তার পর আর শ্মশানের ঘারে কাছে ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের দাবি, বুধবার রাতেও একই ঘটনা ঘটে। রাত ২টো নাগাদ পুলিশকর্মীদের নিয়ে পিপিই পরে একটি দেহ নিয়ে শ্মশানে আসেন প্রশাসনের কর্মীরা। ওই দেহ শ্মশানে দাহ করতে দেওয়া হবে না বলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় টিটাগড় থানার পুলিশ। তাদের ঘেরাও করে আরেকপ্রস্থ বিক্ষোভ চলে। পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর হয়। শেষ পর্যন্ত দেহ ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হন প্রশাসনের কর্মীরা।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসতের কদম্বগাছির করোনা হাসপাতালে মৃত এক ব্যক্তির দেহ ছিল সেটি। বারাকপুরের পুরপ্রধান উত্তম দাস জানিয়েছেন, ‘প্রশাসনের নির্দেশে দেহ সৎকার হচ্ছিল। সে খবর আমাকে জানানো হয়েছিল। তবে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক থাকায় তাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। এলাকাটি ঘন জনবসতিপূর্ণ।’



বন্ধ করুন