ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

করোনাকে নেগলেক্ট করার দরকার নেই, হকারদের দোকান খোলার অনুমতি দিয়ে বললেন মমতা

  • মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা ও হকার কমিটিগুলির সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবে এই কমিটি।

লকডাউনের চতুর্থ পর্বে অবশেষে কলকাতা ও হাওড়ায় হকারদের দোকান খোলার অনুমতি দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শুধু ফুটপাথের নীচে নয়, ফুটপাথের ওপরে যাঁরা রয়েছেন তাঁরাও খুলতে পারবেন দোকান। তবে সেজন্য মানতে হবে একগুচ্ছ বিধিনিয়ম। 

এদিন মমতা বলেন, হকারদের দোকান খোলার নিয়ম ঠিক করতে কলকাতার পুলিশ কমিশনার, পুরসভার মুখ্য প্রশাসক, পুলিশের ডিজি, এডিজি আইন-শৃঙ্খলা, স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুরসচিবকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার। তারাই বৈঠক করে এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। 

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা ও হকার কমিটিগুলির সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবে এই কমিটি। সেক্ষেত্রে দোকান খোলায় লাগু হতে পারে জোড়-বিজোড় নিয়ম। পর পর দুটি দোকান একই দিনে খোলা যাবে না। সেজন্য প্রতিটি দোকানের একটি করে নম্বর দেবে প্রশাসন। সেই নম্বর অনুসারে জোড় সংখ্যার নম্বরধারীরা জোড় সংখ্যার তারিখে ও বিজোড় সংখ্যার নম্বরধারীরা বিজোড় সংখ্যার তারিখে দোকান খুলতে পারবেন। 

অর্থাৎ কারও দোকানের নম্বর ৩৭ হলে তিনি মাসে ১, ৩, ৫, ৭, ৯, ১১, ১৩, ১৫... তারিখে দোকান খুলতে পারবেন। 

এছাড়াও হকারদের দোকান খোলার ক্ষেত্রে একগুচ্ছ বিধিনিয়ম জারি করেছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাকে নেগলেক্ট করার দরকার নেই। ওটাকেও সিরিয়াসলি নিতে হবে। কিন্তু জীবন জীবিকাও চালু রাখতে হবে।’ 

মমতার নির্দেশ, হকার মার্কেট খোলার ক্ষেত্রে নিয়মিত স্যানিটাইজেশন করা বাধ্যতামূলক। এছাড়া সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বজায় রাখতে হবে। বিক্রেতাদের মাস্ক ও গ্লাভস পরা বাধ্যতামূলক।  মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ফুটপাথের নীচে ও ফুটপাথের ওপরে, দুই জায়গাতেই দোকান খোলার অনুমতি মিলবে। 

 

বন্ধ করুন