বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > স্বাস্থ্য সাথী আসলে ভোটের আগে ভাঁওতা, আলাপনের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে দাবি লকেটের
সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অগ্নিমিত্রা পাল। 
সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে লকেট চট্টোপাধ্যায় ও অগ্নিমিত্রা পাল। 

স্বাস্থ্য সাথী আসলে ভোটের আগে ভাঁওতা, আলাপনের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে দাবি লকেটের

  • এদিন লকেট বলেন, ‘স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরে রাস্তায় মারা গিয়েছে সেই খবর আপনারা দেখিয়েছেন। এই প্রকল্পটাই হল ভাঁওতাবাজি। ভোটের আগে স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষকে ভাঁওতা দিতে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

মুখ্যসচিবের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পকে ভাঁওতাবাজি বলে দাবি করলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ভোটের আগে মানুষকে ভাঁওতা দেওয়ার জন্য এই প্রকল্প চালু করেছে সরকার। ভোটের পর সব বন্ধ হয়ে যাবে। 

এদিন লকেট বলেন, ‘স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে রোগীরা হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরে রাস্তায় মারা গিয়েছে সেই খবর আপনারা দেখিয়েছেন। এই প্রকল্পটাই হল ভাঁওতাবাজি। ভোটের আগে স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষকে ভাঁওতা দিতে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।  কয়েকদিন আগে সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালগুলিকে বলেছেন, ‘আপনারা ২ – ৩ মাস চালিয়ে দিন।’

লকেটের দাবি, ‘এতেই স্পষ্ট, ভোটের পর এই প্রকল্প থাকবে না। সব বন্ধ হয়ে যাবে। মানুষ আর সুবিধা পাবেন না।‘ তিনি বলেন, এর একমাত্র বিকল্প মোদীজির চালু করা আয়ুষ্মান ভারত। 

গত ৯ জানুয়ারি নবান্ন থেকে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে বিভিন্ন পরিষেবা ও পরীক্ষার খরচ বাড়ানোর দাবি তোলে হাসপাতালগুলি। তাদের দাবি খতিয়ে দেখতে কমিটি গড়েন মুখ্যসচিব। সঙ্গে বলেন, এজন্য কিছুটা সময় লাগবে। তাই আগামী ২-৩ মাস যেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ডধারী রোগীদের না ফেরায় বেসরকারি হাসপাতাল। রাজ্যে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে ৫৫ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। পরিবারপিছু ১টি করে কার্ড দিচ্ছে সরকার। 

 

বন্ধ করুন