বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > দিল্লির টাকা এলে আসুক, কিন্তু তৃণমূল যেন মারতে না পারে, কেন্দ্রীয় দলকে বিরোধীরা
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

দিল্লির টাকা এলে আসুক, কিন্তু তৃণমূল যেন মারতে না পারে, কেন্দ্রীয় দলকে বিরোধীরা

  • দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার যে ১,০০০ কোটি টাকা পেয়েছে তা নিয়েও দুর্নীতি শুরু হয়েছে। পাকা বাড়ি মালিক এমন তৃণমূল নেতারা ২০,০০০ টাকা করে পেয়েছেন।'

ঘূর্ণিঝড় আমফান মোকাবিলায় পাওয়া কেন্দ্রীয় বরাদ্দ যেন তৃণমূল কাটমানি হিসাবে হজম করে ফেলতে না পারে তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলকে পরামর্শ দিল বিরোধী দলগুলি। শনিবার কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে কেন্দ্রীয় দলের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাম-বিজেপি ও কংগ্রেস নেতারা। সেখানে সবার মুখে একই সুর, টাকা আসছে আসুক, কিন্তু তৃণমূল যেন সেই টাকা মারতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে কেন্দ্রকেই। 

দুদিন ধরে আমফান বিধ্বস্ত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা ঘুরে দেখার পর শনিবার কলকাতায় ফেরেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। সেখানে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিরোধী দলগুলির নেতারা। বিজেপির তরফে দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে দেখা করে প্রতিনিধিদল। বামেদের তরফে ছিলেন সুজন চক্রবর্তী। কংগ্রেসের আবদুল মান্নান ও সোমেন মিত্র। 

সেখানে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন দিলীপবাবু। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার যে ১,০০০ কোটি টাকা পেয়েছে তা নিয়েও দুর্নীতি শুরু হয়েছে। পাকা বাড়ি মালিক এমন তৃণমূল নেতারা ২০,০০০ টাকা করে পেয়েছেন। ওদিকে যাদের কাঁচা বাড়ি ভেঙেছে তারা টাকা পাননি।’ তাঁর দাবি, ‘আমফানে বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে কোথায় ক্ষতিপূরণের আবেদন জানাতে হবে তা বুঝতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। সেজন্য একটা অ্যাপ বা ওয়েবসাইট চালু করা উচিত।’

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘এখানে টাকা আসা মানেই তৃণমূল নেতাদের পকেট ভরবে। সেই রাস্তা বন্ধ করতে হবে।’ কেন্দ্রীয় দলের কাছে একই অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্র ও আবদুল মান্নান। 

বলে রাখি, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিন দিনের রাজ্য সফরে আসে ৭ সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল। আমফান বিধ্বস্ত উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ করেন তারা। তার ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সাহায্য মিলতে পারে বলে জানিয়ে আগেই এই প্রতিনিধিদলকে সরকারি অতিথি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। 

 

বন্ধ করুন