দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি
দিলীপ ঘোষ। ফাইল ছবি

'মুখ্যমন্ত্রী নিজে রাস্তায় ঘুরছেন আর লোককে বলছেন বাড়িতে থাকুন, কে শুনবে?'

  • দিলীপ ঘোষের দাবি, ‘পশ্চিমবঙ্গে করোনা মহামারীর রূপ নিয়েছে, কতদিন লুকিয়ে রাখবে জানি না। সপ্তাহখানেকের মধ্যে এখানে মহামারী সামনে আসবে।'

দেশের একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি লকডাউন ভেঙেছেন। বুধবার এভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, ‘আমাদের মুখ্যমন্ত্রী নিজে রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন আর লোককে বলছেন বাড়িতে থাকুন, কে শুনবে?’

এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এই সরকার ও প্রশাসনের ওপর আমাদের বিশ্বাস নেই, মুখ্যমন্ত্রীরও বিশ্বাস নেই। তাই যে কাজটা এখানকার কন্সটেবলের করা উচিত, থানার লোকের করা উচিত সেটা মুখ্যমন্ত্রী করছেন। দেশের একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি রাস্তায় নেমে লকডাউনকে অমান্য করেছেন, লকডাউন ভেঙেছেন।

এর পরই যোগী আদিত্যনাথের বাবার প্রয়াণের প্রসঙ্গ টানেন দিলীপবাবু। বলেন, ‘মাননীয় যোগীজির পিতৃদেবের দেহত্যাগ হল। উনি অন্ত্যেষ্টিতে যাননি। কারণ, উনি লকডাউন ভাঙবেন না। উনি মানুষকে বলেছেন বাড়িতে থাকতে তাই নিজে বেরোবেন না। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী নিজে রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন আর লোককে বলছেন বাড়িতে থাকুন, কে শুনবে? তাই পুরো পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আজ হাট বসে গিয়েছে।‘

দিলীপ ঘোষের দাবি, ‘পশ্চিমবঙ্গে করোনা মহামারীর রূপ নিয়েছে, কতদিন লুকিয়ে রাখবে জানি না। সপ্তাহখানেকের মধ্যে এখানে মহামারী সামনে আসবে। মুখ্যমন্ত্রী চাল বিতরণ করছেন, মাস্ক বিতরণ করছেন, রাস্তায় গণ্ডি কেটে দিচ্ছেন। এটা মুখ্যমন্ত্রীর কাজ না কি? আমরা তো ভারতবর্ষের অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে একাজ করতে দেখিনি। কেবল ড্রামা, কেবল ফটো, কেবল রাজনীতি।‘

বলে রাখি, করোনা মোকাবিলায় প্রথম থেকেই সক্রিয় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাই ময়দানে নেমে গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন তিনি। তবে বিরোধীদের দাবি, পুরোটাই ছবি তোলার ফিকির। করোনার সংক্রমণ এসব করে রোখা যায় না।



বন্ধ করুন