বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নিয়ে কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি মমতার
সোমবার নবান্নে মমতা
সোমবার নবান্নে মমতা

চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা নিয়ে কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবি মমতার

  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়বেন পশ্চিমবঙ্গের হাজার হাজার পড়ুয়া। কারণ, করোনার জেরে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ।

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার কেন্দ্রীয় সিদ্ধন্ত প্রত্যাহারের দাবি জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নাইসেডের অত্যাধুনিক পরীক্ষাগারের ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে এই অনুরোধ জানান মমতা। তিনি বলেন, ইউজিসিকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বলুক কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ বিকাশ মন্ত্রক। 

মমতা এদিন বলেন, গত ২৯ এপ্রিল কেন্দ্রীয় জানিয়েছিল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা বাধ্যতামূলক নয়। সেই মতো আমরা পুরনো ফল বিশ্লেষণ করে পড়ুয়াদের চূড়ান্ত বর্ষের ফল তৈরি করেছিলাম। কিন্তু গত ৬ জুলাই সেই সিদ্ধন্ত খারিজ করে একটি নির্দেশিকা আসে। তাতে বলে হয়েছে, চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষা বাধ্যমূলক। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়বেন পশ্চিমবঙ্গের হাজার হাজার পড়ুয়া। কারণ, করোনার জেরে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। সেগুলি কবে খুলবে কেউ জানে না। ফলে পরীক্ষা কবে নেওয়া যাবে তাও অনিশ্চিত। এর ফলে ঝুলে থাকবে ছাত্রছাত্রীদের ভাগ্য। এই নিয়ে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ বিকাশ মন্ত্রককে UGC-কে নির্দেশ দিতে অনুরোধ করেন তিনি।

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই পরীক্ষে নেওয়ার বিরুদ্ধে। তা সে প্রাথমিকে হোক বা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই কেন্দ্রের পাঠানো প্রথম নির্দেশিকাকেই শিখণ্ডি করেছেন তিনি। ঠিক যেমন, তিনি ‘বাসমালিকরাই বাসভাড়া ঠিক করবেন’ বলার পর থেকে ভাড়াবৃদ্ধির দাবিতে অনড় রয়েছেন মালিকরা। 

বলে রাখি, কলেজ - বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। সোমবার বিষয়টি নিয়ে আদালতে শুনানি হলেও কোনও রায় দেননি বিচারপতিরা। 

বন্ধ করুন