বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > পতাকা তুলেই রাজভবনে গেলেন মমতা, কথা হল রাজ্যপাল ধনখড়ের সঙ্গে
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

পতাকা তুলেই রাজভবনে গেলেন মমতা, কথা হল রাজ্যপাল ধনখড়ের সঙ্গে

  • প্রতিবছরের মতো এবছরও স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় রাজভবনে চা-চক্রের আয়োজন করেছেন রাজ্যপাল। সেখানে আমন্ত্রণ ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। কিন্তু অন্য কাজ থাকায় সন্ধ্যায় সেখানে যেতে পারেবনে না মমতা।

রাজ্য – রাজ্যপাল সংঘাতের মধ্যেই সৌজন্যের বাতাবরণ তৈরি হল স্বাধীনতা দিবসে। রেড রোডে পতাকা উত্তোলন করেই রাজভবনে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাক্ষাৎ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে এটি নেহাতই সৌজন্য সাক্ষাৎ। সূত্রের খবর, দু’জনের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে সংঘাত কোনও নতুন ঘটনা নয়। প্রায় রোজই চিঠি – টুইটে চলে বাগযুদ্ধ। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর রাজভবনে যাওয়া বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, মমতার এই শিষ্টাচারে মজবুত হবে গণতন্ত্র। 

শনিবার ১৫ মিনিটেই শেষ হয় রেড রোডে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। সকাল ৯.৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে গার্ড অফ অনার দেন কলকাতা পুলিশের কর্মীরা। সকাল ১০টায় পতাকা উত্তোলন করেন। এর পর চারটি ট্যাবলো সহ কুচকাওয়াজের আয়োজন ছিল। এদিনের অনুষ্ঠানে করোনাযোদ্ধাদের সম্মানিত করেন মমতা। 

এর পর পুলিশ মেমোরিয়াল ও নেতাজি মূর্তিতে মাল্যদান করেন মমতা। সেখান থেকে সোজা চলে যান রাজভবনে। সেখানে রাজ্যপালের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ তাঁর একান্তে কথা হয়। 

সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিবছরের মতো এবছরও স্বাধীনতা দিবসের সন্ধ্যায় রাজভবনে চা-চক্রের আয়োজন করেছেন রাজ্যপাল। সেখানে আমন্ত্রণ ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। কিন্তু অন্য কাজ থাকায় সন্ধ্যায় সেখানে যেতে পারেবনে না মমতা। তাই সকালেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। 

সূত্রের খবর, রাজ্যের বেশ কিছু ইস্যু নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে। তবে কী কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। রাজ্যের অর্থিক পাওনা সম্পর্কে রাজ্যপালকে মুখ্যমন্ত্রী বলে থাকতে পারেন বলে মনে করা হয়েছে। 

 

বন্ধ করুন