বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > তোল্লা দেওয়ায় আস্ত একটা সম্প্রদায় আইন মানছে না, মুখ্যমন্ত্রী কী করছেন?
মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে দিলীপ ঘোষ।
মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে দিলীপ ঘোষ।

তোল্লা দেওয়ায় আস্ত একটা সম্প্রদায় আইন মানছে না, মুখ্যমন্ত্রী কী করছেন?

  • দিলীপবাবু বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। আর তার থেকে নজর ঘোরানোর জন্য তিনি আবার সাম্প্রদায়িকতার গল্প করছেন।

রাজ্যের একাধিক জায়গায় সাম্প্রদায়িক হিংসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, এই ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করতে হবে পুলিশমন্ত্রীকে। সঙ্গে তাঁর দাবি, ক্রমশ খারাপ হতে থাকা করোনা পরিস্থিতি থেকে মানুষের নজর ঘোরাতেই ফের বিজেপির ওপর সাম্প্রদায়িকতার দোষারোপ শুরু করেছেন মমতা।

মঙ্গলবার দিলীপবাবু বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন ভেঙে পড়েছে। ভদ্রেশ্বর, চুঁচুড়া, চন্দননগর, হরিশ্চন্দ্রপুরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চলছে। এই মুহূর্তে ভদ্রেশ্বরে বাড়ি ঘর পোড়ানো হচ্ছে। তাহলে তো পুলিশমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়। পুলিশ বিভাগ তো মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। তিনি লুকিয়ে পড়লে হবে না। তাঁকে জবাব দিতে হবে নয় পদত্যাগ করতে হবে।‘ 

দিলীপ ঘোষের দাবি, ‘সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা থামানো সরকারের দায়িত্ব। তিন – চার দিন ধরে একজায়গায় উত্তেজনা চলছে, আগুন লাগানো হচ্ছে। বাড়ি পোড়ানো হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। সেটা সমাধান না করতে পারলে সাধারণ মানুষ বা মিডিয়া যদি বলে, বা আমরা যদি বলি তাতে দোষের কিছু নেই।‘ 

দিলীপবাবু বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। আর তার থেকে নজর ঘোরানোর জন্য তিনি আবার সাম্প্রদায়িকতার গল্প করছেন। একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে তোল্লা দেওয়ার জন্য তারা আইন মানতে রাজি হচ্ছেন না। ওদিকে সব থেকে বেশি সংক্রমণ ওখানে হচ্ছে। তার থেকে আসপাশের লোকেরা ভীত সন্ত্রস্ত। পুলিশও তাদের ঘাঁটাচ্ছে না। তার ফলে সংক্রমণ বেশি হচ্ছে, ভয়ঙ্কর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।‘ 

পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন, ‘পশ্চিমবঙ্গে সাংবাদিক, ডাক্তারবাবুদের থানায় নিয়ে গিয়ে জেরা করা হচ্ছে। ওদিকে আস্ত একটা সম্প্রদায় আইন মানছে না সেব্যাপারে কোনও সরকারের হেলদোল নেই  কেন?

বলে রাখি, মঙ্গলবার রাজ্যে কয়েকটি জায়গায় সাম্প্রদায়িক হিংসার জন্য নাম না করে বিজেপিকে দায়ী করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির মধ্যে রাজ্যে দাঙ্গা লাগাতে চাইছে তারা।’

 

বন্ধ করুন