বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Tiljala Fire: তিলজলায় জুতো প্রিন্টিং কারখানায় ভয়াবহ আগুন, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত বাবা–ছেলে

Tiljala Fire: তিলজলায় জুতো প্রিন্টিং কারখানায় ভয়াবহ আগুন, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত বাবা–ছেলে

তিলজলায় জুতোর প্রিন্টিং কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বাবা ও ছেলের।

আগুন লাগার সময় আখতারের স্ত্রী দোকানে ছিলেন না। তিনি এই দোকানে রোজই আসেন। এদিনই তিনি ছিলেন না। বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিলেন বলে খবর। দমকলের চারটি ইঞ্জিন, তপসিয়া থানার পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী হাজির হয়। তবে দোকানটি ঘিঞ্জি এলাকায় হওয়ায় দমকল ভিতরে ঢুকতে পারেনি।

আজ, বৃহস্পতিবার তিলজলার একটি প্রিন্টিং কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। তার জেরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় বাবা ও ছেলের। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় আলোড়ন পড়ে যায়। ওই ব্যক্তির আর এক ছেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিত্তরঞ্জন ন্য়াশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তপসিয়া রোড এলাকার ওই কারখানায় জুতোতে প্রিন্টিংয়ের কাজ করা হতো। বাঁশদ্রোণীর পর তিলজলায় এই অগ্নিকাণ্ডে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগুন লাগার সময় দোকানেই ছিলেন তিনজন। তাই তিনজনই অগ্নিদগ্ধ হন।

ঠিক কী ঘটেছে তিলজলায়?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ আগুন লাগে এই প্রিন্টিং কারখানায়। কাজের জন্য বুধবার রাতে কারখানাতেই ছিলেন বাবা এবং দুই ছেলে। কিন্তু হঠাৎ আগুন লেগে যাওয়ায় তাঁরা কেউ বেরতে পারেননি। দমকলের চারটি ইঞ্জিনের একঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও দু’‌জনকে বাঁচানো যায়নি। আর একজন ছেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। দমকল কর্মীরা দেরিতে আসেন বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। তবে আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ কী তথ্য পেয়েছে?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, আজ বৃহস্পতিবার সাতসকালে তপসিয়া থানা এলাকার তিলজলায় হাওয়াই চটি রং করার কারখানায় আগুন লাগে। আগুনের ফুলকি দেখেই স্থানীয় বাসিন্দারা ঝাঁপিয়ে পড়ে আগুন নেভাতে। দমকল কাজ শুরু করলেও বাঁচানো যায়নি দু’‌জনকে। গত রাতে দোকানের ভিতরেই ছিলেন বাবা ও তাঁর দুই ছেলে। বাবা মহম্মদ নাসিম আখতার এবং বড় ছেলে মহম্মদ আমিরের মৃত্যু হয়েছে। ছোট ছেলে মহম্মদ জসিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে দেহ দুটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। আর মহম্মদ জসিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আর কী জানা যাচ্ছে?‌ আগুন লাগার সময় আখতারের স্ত্রী দোকানে ছিলেন না। তিনি এই দোকানে রোজই আসেন। এদিনই তিনি ছিলেন না। বাড়ির কাজে ব্যস্ত ছিলেন বলে খবর। দমকলের চারটি ইঞ্জিন, তপসিয়া থানার পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী হাজির হয়। তবে দোকানটি ঘিঞ্জি এলাকায় হওয়ায় দমকল ভিতরে ঢুকতে পারেনি। পাইপের মাধ্যমে জল দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ হয়েছে। দোকানের ভিতরে দাহ্য় পদার্থ থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়়ে। তবে আগুন যাতে অন্যান্য় দোকানে ছড়িয়ে না পড়ে সেটার চেষ্টা চলছে। দমকল আগুন লাগার কারণ এখনও জানতে পারেনি।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বাংলার মুখ খবর
বন্ধ করুন

Latest News

প্রাক্তন স্বামীর স্মৃতি এখনও আগলে প্রশ্মিতা, অনুপমের চেয়ে বয়সে কত ছোট গায়িকা? Anger Controlling Tips: রেগে গেলে কীভাবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন? রইল ৫টি টিপস ট্রেন থেকে চুরি হয়ে গেল প্যারিস অলিম্পিক্সের নিরাপত্তার ব্লু প্রিন্ট অভিনেতা থেকে নিউজ অ্যাঙ্কর! খবর পড়তে গিয়ে থমকে গেলেন ‘টুয়েলভথ ফেল’ বিক্রান্ত ফের বিজেপিতে ফিরলেন কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক, পার্থর হাত ধরে গিয়েছিলেন তৃণমূলে! 'এই গাড়িটা কিনবই!', অনূর্ধ্ব-১৯ দলে থাকার সময়ই রোহিতের কী জেদ ছিল, জানালেন কোচ এই খালি বক্সে কোন সংখ্যাটি বসবে? উত্তর কিন্তু ৬ হবে না! রইল ভাইরাল ব্রেন টিজার Shovan-Sohini: এবার কি শোভন-সোহিনীর বিয়ে? আংটি বদলের চর্চায় মুখ খুললেন গায়ক ৭৫ দিন ‘ব্লক’ থাকবে চিংড়িঘাটায়, কোন পথে গাড়ি যাবে? শুরু মেট্রোর 'ফাইনাল' কাজ জঙ্গি ধরার কায়দায় গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, বিজেপি নেতা বিকাশ সিংকে জামিন দিল আদালত

Copyright © 2024 HT Digital Streams Limited. All RightsReserved.