বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > মিডিয়ার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়, সংবাদপত্রের অধঃপতনের যুগ চলছে:‌ মমতা
বরুণ সেনগুপ্ত সংগ্রহশালার উদ্বোধনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি সৌজন্য : টুইটার
বরুণ সেনগুপ্ত সংগ্রহশালার উদ্বোধনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি সৌজন্য : টুইটার

মিডিয়ার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়, সংবাদপত্রের অধঃপতনের যুগ চলছে:‌ মমতা

  • বিজেপি–র বিরুদ্ধে আঙুল তুলে মমতা বলেন, ‘‌এখনকার সময়ে দিল্লি থেকে কোনও নির্দেশ এলেই সকলের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেই দিনগুলির পরিস্থিতি খুব আলাদা ছিল।’‌

মিডিয়া বা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা উচিত নয়। বুধবার এ কথা বেশ জোর দিয়ে বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে অবক্ষয়ের যুগে চলছে সংবাদপত্রগুলি। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, ‘‌যদি সংবাদপত্রকে অবাধে লেখার অনুমতি না দেওয়া হয় তবে কি কোনও গণতন্ত্র প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে পারে?‌’‌

এদিন বাংলা দৈনিক ‘‌বর্তমান’‌–এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তের জীবন ও কাজের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রতিষ্ঠিত সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‌গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করা যায় না।’‌ একইসঙ্গে তাঁর দাবি, ‘‌সংবাদপত্রের অধঃপতনের যুগ চলছে।’‌

২০০৮ সালে প্রয়াত হন বরুণ সেনগুপ্ত। এদিন তাঁর স্মৃতিচারণায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেন যে কীভাবে রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর প্রাথমিক বছরগুলিতে একাধিক নির্দেশ, উপদেশ দিয়েছিলেন বরুণবাবু। মমতা আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বরাবরই ভাল সম্পর্ক বজায় রেখেছেন বরিষ্ঠ সাংবাদিক বরুণ সেনগুপ্ত।’‌

বিজেপি–র বিরুদ্ধে আঙুল তুলে মমতা বলেন, ‘‌এখনকার সময়ে দিল্লি থেকে কোনও নির্দেশ এলেই সকলের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেই দিনগুলির পরিস্থিতি খুব আলাদা ছিল।’‌ এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সংগ্রহশালার পাশে যদি সাংবাদিকতার কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয় তবে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে সরকার।

এদিন বরুণ সেনগুপ্ত সংগ্রহশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার প্রধান প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম, পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডাঃ শান্তনু সেন প্রমুখ।

বন্ধ করুন