বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Kolkata traffic: এটাই কলকাতার ব্যস্ততম রাস্তা! ১ মাসে চলেছে ৮.৮ লাখ গাড়ি, আপনি জ্যামে আটকে যান?

Kolkata traffic: এটাই কলকাতার ব্যস্ততম রাস্তা! ১ মাসে চলেছে ৮.৮ লাখ গাড়ি, আপনি জ্যামে আটকে যান?

শহরের ব্যস্ততম রাস্তা মেট্রোপলিটন বাইপাস। প্রতীকী ছবি

ইএম বাইপাসে তিনটি লেন রয়েছে। ফলে সেক্ষেত্রে সব মিলিয়ে গাড়ির সংখ্যাটা আরও বেশি হবে বলেই মনে করছে পুলিশ। ২০২১ সালের অক্টোবরে এই বাইপাসেই একটি লেন দিয়ে ৬ লক্ষের বেশি গাড়ি যাতায়াত করেছিল। তবে এবার তার থেকে সংখ্যাটা কয়েক গুণ বেশি বলে জানাচ্ছে ট্র্যাফিক পুলিশের রিপোর্ট।

কলকাতার সবচেয়ে ব্যস্ততম রাস্তা হল মেট্রোপলিটন বাইপাস। শহরের ব্যস্ততম রাস্তা সম্প্রতি সমীক্ষা করেছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে চলা এই সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, হিডকো থেকে গড়িয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ৩২ কিলোমিটার লম্বা এই রাস্তা সবচেয়ে ব্যস্ততম। বাইপাসে শুধুমাত্র একটি লেন দিয়ে ৮ লক্ষ ৮০ হাজার গাড়ি যাতায়াত করেছে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।

ইএম বাইপাসে তিনটি লেন রয়েছে। ফলে সেক্ষেত্রে সবমিলিয়ে গাড়ির সংখ্যাটা আরও বেশি হবে বলেই মনে করছে পুলিশ। ২০২১ সালের অক্টোবরে এই বাইপাসেই একটি লেন দিয়ে ৬ লক্ষের বেশি গাড়ি যাতায়াত করেছিল। তবে এবার তার থেকে সংখ্যাটা কয়েক গুণ বেশি বলে জানাচ্ছে ট্র্যাফিক পুলিশের রিপোর্ট। অন্যান্য রাস্তার মধ্যে বেলেঘাটা ফুলবাগান সংলগ্ন বাইপাসে ৬.৬ লক্ষ যানবাহন একটি লেন দিয়ে যাতায়াত করেছে। রুবি হাসপাতালের কাছে মন্দিরপাড়া মোড়ে একটি লেন দিয়ে ৪.৭ লক্ষ গাড়ি যাতায়াত করেছে।

সেই তুলনায় মাঝেরহাট সেতুর একটি লেন দিয়ে প্রচুর পরিমাণে গাড়ি যাতায়াত করেছে। এই সংখ্যাটা হল ৬.৯ লক্ষ। আবার এজেসি বোস ফ্লাইওভারের একটি লেনে ৫.৯ লক্ষ যানবাহন যাতায়াত করেছে। রেড রোডে বাস না চললেও একটি লেন ৪.৬ লক্ষ এবং রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ–এসপ্ল্যানেডের একটি লেনে ৫.৬ লক্ষ যানবাহন রেকর্ড করা হয়েছে।

ডিসি (ট্র্যাফিক) সুনীল কুমার যাদব বলেন, ‘আমরা গাড়ির সংখ্যা জানার জন্য স্পিড ক্যামেরার সাহায্য নিয়েছি। এই সংখ্যাগুলি রেকর্ড করা হয়েছে বিয়ের মরশুমে।’ তিনি আরও জানান, ‘আমরা ইএম বাইপাসের মেট্রোপলিটন, মন্দিরপাড়া এবং মণি স্কোয়ার চৌরাস্তা, এজেসি বোস ফ্লাইওভার, মাদার হাউসের কাছে এজেসি বোস রোড, গড়িয়াহাট ফ্লাইওভার, হাওড়া ব্রিজ, মাঝেরহাট ব্রিজ, রেড রোড এবং রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে এই সমীক্ষা চালিয়েছি।’

বন্ধ করুন