বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Mithun Chakraborty: পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে ‘‌ময়দানে মহাগুরু’‌, কী কী কর্মসূচি রয়েছে মিঠুনের?

Mithun Chakraborty: পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে ‘‌ময়দানে মহাগুরু’‌, কী কী কর্মসূচি রয়েছে মিঠুনের?

রাজ্যে এলেন মিঠুন চক্রবর্তী।

উৎসবের মরসুমেও জনসংযোগের লক্ষ্যে মিঠুন চক্রবর্তীকে সামনে এনেছিল বঙ্গ–বিজেপি৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারেও মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে বাংলা এবং বাঙালির আবেগকে কাজে লাগাতে চাইছে গেরুয়া শিবির। তবে তৃণমূল কংগ্রেস চাইছে নিজেদের উন্নয়নকে ঢাল করেই এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যে এলেন মিঠুন চক্রবর্তী। আজ, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন মহাগুরু। আগামীকাল, বুধবার পুরুলিয়ায় বিজেপির পঞ্চায়েত সম্মেলনে যোগ দেবেন তিনি। বুধবার থেকে বিভিন্ন জেলায় সফর শুরু করবেন ‘‌এমএলএ ফাটাকেষ্ট’‌। পুরুলিয়া দিয়েই সফর শুরু করবেন তিনি। সব ক্ষেত্রেই তিনি জেলার পঞ্চায়েত কার্যকর্তা সম্মেলনে যোগ দেবেন। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রচারে লক্ষ্যেই রাজ্যে এসেছেন বলে সূত্রের খবর।

ঠিক কী বলছেন মিঠুন চক্রবর্তী?‌ এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে তাঁর আসার বিষয়ে জানান। আজ, মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘‌দলের সভাপতির নির্দেশে আমি এসেছি। দলের কাজ করতে এসেছি। আমি যা করব সেটা সবাই জানতে পারবেন। আমি লুকিয়ে কোনও কিছু করব না।’‌ আর বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‌মিঠুন চক্রবর্তী শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের আইকন। চলতি মাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেওয়ার পাশাপাশি আগামী দিনে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার করবেন।’‌

কেমন কর্মসূচি থাকছে মিঠুনের?‌ বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ২৩ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত মিঠুন চক্রবর্তীর ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে এই রাজ্যে। কাল, ২৩ তারিখ তিনি পুরুলিয়া প্রচার করবেন। ২৪ তারিখ বাঁকুড়ায় প্রচার করবেন। ২৫ তারিখ বিষ্ণুপুরে যাবেন তিনি। ২৬ তারিখ আসানসোল কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। আর শেষদিন ২৭ তারিখ বোলপুরে প্রচার করবেন তিনি। গোটা সফরে মিঠুনের সঙ্গী হবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

উল্লেখ্য, উৎসবের মরসুমেও জনসংযোগের লক্ষ্যে মিঠুন চক্রবর্তীকে সামনে এনেছিল বঙ্গ–বিজেপি৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারেও মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে বাংলা এবং বাঙালির আবেগকে কাজে লাগাতে চাইছে গেরুয়া শিবির। তবে তৃণমূল কংগ্রেস চাইছে নিজেদের উন্নয়নকে ঢাল করেই এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে। বামেরা এবার কারও সঙ্গে জোট না করেই লড়াই করবে। সুতরাং সর্বত্রই চতুর্মুখী লড়াই হবে।

বন্ধ করুন