বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > সল্টলেকে মা–মেয়ের জোড়া মৃতদেহ উদ্ধার, সুইসাইড নোটের সঙ্গে ছিল ২০ হাজার টাকা
মা–মেয়ের জোড়া মৃতদেহ।

সল্টলেকে মা–মেয়ের জোড়া মৃতদেহ উদ্ধার, সুইসাইড নোটের সঙ্গে ছিল ২০ হাজার টাকা

  • সল্টলেকের সিডি ব্লকের বাড়ি থেকে আজ, শুক্রবার মা এবং মেয়ের জোড়া মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। মেয়ের নাম স্নেহা ঘোষ এবং মায়ের নাম সুপর্ণা ঘোষ। স্নেহার দেহ বিছানায় থাকলেও সুপর্ণার দেহ ঘরের মেঝেতে পড়েছিল। মনে করা হচ্ছে এই দু’‌জন বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

শহরের বুকে একের পর এক মডেল অভিনেত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পল্লবী, বিদিশা, মঞ্জুষা—পর পর তিনজনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। সেই রেশ এখন তরতাজা। তার মধ্যেই শুক্রবার সকালে সল্টলেকের সিডি ব্লকের ১৭৪ নম্বর বাড়ির তিনতলা থেকে উদ্ধার করা হল মা–মেয়ের জোড়া মৃতদেহ। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

ঠিক কী ঘটেছে সল্টলেকে?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর, সল্টলেকের সিডি ব্লকের বাড়ি থেকে আজ, শুক্রবার মা এবং মেয়ের জোড়া মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। মেয়ের নাম স্নেহা ঘোষ এবং মায়ের নাম সুপর্ণা ঘোষ। স্নেহার দেহ বিছানায় থাকলেও সুপর্ণার দেহ ঘরের মেঝেতে পড়েছিল। মনে করা হচ্ছে এই দু’‌জন বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

কী তথ্য পেয়েছে পুলিশ?‌ পুলিশ সূত্রে খবর, মা সুপর্ণা ঘোষ এবং মেয়ে স্নেহা ঘোষের দেহ দেখে মনে হচ্ছে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করছে। সম্ভবত গতকাল রাতে তাঁরা বিষ খেয়েছিল। দেহ দুটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। একপাতার সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তে প্রকৃত মৃত্যুর কারণ উঠে আসবে। একটি বিষের শিশি উদ্ধার করা হয়েছে। সুপর্ণা ঘোষের স্বামীর ছবির সামনে ২০ হাজার টাকা এবং যাবতীয় পরিচয়পত্র রাখা ছিল।

পারিবারিক সম্পর্ক কেমন ছিল?‌ সুপর্ণার স্বামী আশিস ঘোষ একমাস আগে মারা গিয়েছেন। স্নেহারও স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেছে। পাশে কেউ না থাকায় মা–মেয়ে মানসিক অবসাদে ভুগছিল। সুইসাইড নোটে ওই টাকার কথা উল্লেখ করে প্রশাসনকে পারলৌকিক ক্রিয়ার আবেদন জানানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আজ ঘর থেকে প্রচুর জল বেরোতে দেখে প্রতিবেশীরা বিধাননগর নর্থ থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঢুকে দেহ দুটি উদ্ধার করে।

বন্ধ করুন