বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > অন্যের সুপারিশপত্র নকল করে ৩ বছর চাকরি করছেন যুবক, শুনে হতবাক বিচারপতি

অন্যের সুপারিশপত্র নকল করে ৩ বছর চাকরি করছেন যুবক, শুনে হতবাক বিচারপতি

ফাইল ছবি

মুর্শিদাবাদ গোথা এ আর হাই স্কুলে ভুগোলের শিক্ষকের পদে ৩ বছর ধরে চাকরি করছেন অনিমেষ তিওয়ারি নামে এক যুবক। তাঁর বাবা আশিস তিওয়ারি ওই স্কুলেরই প্রধান শিক্ষক। অনিমেষ ২০১৬ ভুগোল বিষয়ে SLST পরীক্ষায় বসেননি। তাহলে কী করে চাকরি পেলেন তিনি।

বাবা স্কুলের প্রধান শিক্ষক, সেই স্কুলেই নিয়োগপত্র নকল করে চাকরি করছেন ছেলে। এমনই অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় অবাক বিচারপতিও। বুধবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর প্রশ্ন, আরও এরকম ঘটনা ঘটেনি তো? এই মামলার তদন্তভার সিআইডিকে দিতে আগামীকাল DIG CID-কে আদালতে তলব করেছেন বিচারপতি।

সোমা রায় নামে এক চাকরিপ্রার্থীর অভিযোগ, RTI করে তিনি জানতে পেরেছেন, মুর্শিদাবাদ গোথা এ আর হাই স্কুলে ভুগোলের শিক্ষকের পদে ৩ বছর ধরে চাকরি করছেন অনিমেষ তিওয়ারি নামে এক যুবক। তাঁর বাবা আশিস তিওয়ারি ওই স্কুলেরই প্রধান শিক্ষক। অনিমেষ ২০১৬ ভুগোল বিষয়ে SLST পরীক্ষায় বসেননি। তাহলে কী করে চাকরি পেলেন তিনি।

মামলায় SSC জানিয়েছে, ওই পদে আতাউর রহমান নামে এক যুবককে সুপারিশ পত্রের মেমো নম্বর ব্যবহার করে নিয়োগপত্র তৈকি করেন অনিমেষ। সেই নিয়োগপত্র দেখিয়ে বাবার স্কুলে চাকরি পান তিনি।

অভিযোগ শুনে হতবাক বিচারপতি বসু বলেন, এই ঘটনা আর কোথায় ঘটেনি তো? প্রধান শিক্ষক যুক্ত না থাকলে এই ঘটনা ঘটা সম্ভব নয়। সিআইডিকে দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত করাতে চাই। তারা তদন্তভার নিতে রাজি আছে কি না জানাতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় আদালতে হাজিরা দিতে হবে DIG CID-কে।

 

বন্ধ করুন