বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > 'আমাকে ক্ষমা করো', চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হাসপাতালের হোস্টেলে গলায় ফাঁস নার্সের
নিউটাউনের চিত্তরঞ্জন ক্যান্সারের হস্টেল থেকে নার্সের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য
নিউটাউনের চিত্তরঞ্জন ক্যান্সারের হস্টেল থেকে নার্সের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য

'আমাকে ক্ষমা করো', চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হাসপাতালের হোস্টেলে গলায় ফাঁস নার্সের

  • ঘটনাস্থল থেকে সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে আমাকে ক্ষমা

হস্টেলের ঘর থেকে নার্সের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্যের দানা বাঁধল। নিউটাউনের চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার ইনস্টিটিউশনের হস্টেল এক নার্সের রহস্যজনকভাবে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হস্টেল চত্বরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত নিউটাউন থানার পুলিশ। ওই নার্সের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম নিতু সিং গিল। মৃত তরুণী দিল্লির বাসিন্দা। সম্প্রতি তিনি নিউটাউনের চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার ইন্সটিটিউটে যোগদান করেছিলেন। হাসপাতালে ক্যান্সার ইউনিটে কর্মরত ছিলেন তিনি। হাসপাতাল লাগোয়া ওই হস্টেলে থাকতেন এই তরুণী।

ওই নার্সের মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, 'বাবা-মা আমাকে ক্ষমা করে দিও'। কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন? আত্নঘাতী হওয়ার জন্যই কি তিনি তাঁর বাবা-মার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন? নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

এদিন সকাল থেকেই তাঁর সতীর্থরা নিতুর কোনও খোঁজ পাচ্ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত তাঁর হস্টেলের ঘরে গিয়ে তাঁরা দেখেন যে, ঘরের দরজা ভেজানো রয়েছে। দরজা খুলতেই নিতুর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান হস্টেলেরই এক আবাসিক। তারপর থানায় খবর দেওয়া হলে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

কেন এই চরম পথ বেছে নিলেন ওই তরুণী ? এ প্রশ্নে তার সতীর্থরা জানিয়েছেন, কাজে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন নিতু। এমনকী, ইদানিং কারও সঙ্গে তেমন কোনও কথাও বলছিলেন না তিনি। দিল্লিতে মৃতার পরিবারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

 

বন্ধ করুন