বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > কলকাতা সহ দেশের সমস্ত বন্দরে চিনা পণ্যকে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া বন্ধ করল কাস্টমস
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

কলকাতা সহ দেশের সমস্ত বন্দরে চিনা পণ্যকে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া বন্ধ করল কাস্টমস

  • শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে এই মুহূর্তে ৪০ টন চিনা সামগ্রী পড়ে রয়েছে। যার বাজারমূল্য ৩৫ কোটি টাকা। কলকাতা বিমানবন্দর দিয়ে প্রতি বছর যে ১৮,০০০ টন পণ্য আমদানি হয়, তার ৬৫ শতাংশই আসে চিন থেকে।

কলকাতা-সহ দেশের সমস্ত বন্দর ও বিমানবন্দরে আমদানি করা চিনা পণ্যে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া বন্ধ করল শুল্ক বিভাগ। কাস্টমস এজেন্টদের তরফে এমনটাই দাবি করা হয়েছে।

কাস্টমস এজেন্টদের সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে আমদানি করা চিনা পণ্যে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া বন্ধ রেখেছে শুল্ক বিভাগ। বিভাগের অভ্যন্তরীণ নির্দেশিকার প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এর ফলে আমদানি করা পণ্য বিমানবন্দর ও বন্দরে পড়ে রয়েছে। যে সমস্ত পণ্যে ইতিমধ্যে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে সেগুলিও ফের পরীক্ষা করবেন শুল্ক বিভাগের আধিকারিকরা।‘ তবে এবিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি শুল্ক বিভাগ। তবে চেন্নাই ও মুম্বইয়েও চিনা পণ্যে ক্লিয়ারেন্স প্রদান বন্ধ রয়েছে। 

গত সপ্তাহে লাদাখের গালোয়ান উপত্যকায় ভারতীয় সেনার ওপর চিনা সেনার হামলায় ২০ জন জওয়ান শহিদ হয়েছেন। এর পরই দেশ জুড়ে চিনা পণ্য বয়কটের পক্ষে জনমত তৈরি হয়। তার প্রেক্ষিতেই শুল্ক দফতরের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। 

শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে এই মুহূর্তে ৪০ টন চিনা সামগ্রী পড়ে রয়েছে। যার বাজারমূল্য ৩৫ কোটি টাকা। কলকাতা বিমানবন্দর দিয়ে প্রতি বছর যে ১৮,০০০ টন পণ্য আমদানি হয়, তার ৬৫ শতাংশই আসে চিন থেকে। এর মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, সুগন্ধি, পোশাক, যন্ত্রংশ, রাসায়নিক, প্লাস্টিকের জিনিসপত্র, চা প্যাকেজিংয়ের যন্ত্র প্রভৃতি। চিন থেকে কলকাতা দিয়ে প্রায় ২৫০ রকম সামগ্রী আমদানি হয়। 

কলকাতা বিমানবন্দরের পণ্যপরিবহণ বিভাগের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চিনা পণ্য বন্ধ হলে হয়তো প্রথমে একটু অসুবিধা হবে, কিন্তু পরে অন্য জায়গা থেকে জিনিস এলে চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। 

বন্ধ করুন