বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > অক্সিজেন অভাবে ছটফটিয়ে রোগীর মৃত্যু কলকাতায়, অভিযোগ পরিবারের
কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট সেন্টেনারি হাসপাতাল (‌ছবি সৌজন্য ফেসবুক)‌
কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট সেন্টেনারি হাসপাতাল (‌ছবি সৌজন্য ফেসবুক)‌

অক্সিজেন অভাবে ছটফটিয়ে রোগীর মৃত্যু কলকাতায়, অভিযোগ পরিবারের

  • কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট সেন্টেনারি হাসপাতালে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এন্টালির বাসিন্দা প্রিয়ঙ্কা দে। পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার রাত থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা বিগড়াতে শুরু করে। শনিবার বেলা পর্যন্ত প্রিয়ঙ্কার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। কিন্তু তার সত্ত্বেও তাঁকে অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ, হাসপাতালে অক্সিজেন ছিল না। শেষে নিঃশ্বাস নিতে না—পেরে ছটফট করতে করতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

এতদিন শুনতে পাওয়া যাচ্ছিল দিল্লি, পঞ্জাব কিংবা মহারাষ্ট্রের হাসপাতালগুলোয় অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়েছে বহু করোনা আক্রান্ত রোগীর। এবার খাস কলকাতায় অক্সিজেনের অভাবে প্রাণবায়ু উড়ে গেল রোগীর বলে অভিযোগ! বন্দর হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে প্রাণ হারালেন ৪৩ বছর বয়সী এক মহিলা, বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের লোকেরা।

নিঃশ্বাস নিতে না—পেরে ছটফট করতে করতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ওই মহিলা। তাঁর পরিবারের তরফে এমনটাই অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকী, চিকিৎসায় গাফিলতিরও অভিযোগ তুলেছেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগের তির কলকাতা বন্দর হাসপাতালের দিকে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত এবিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি।

 

কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট সেন্টেনারি হাসপাতালে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এন্টালির বাসিন্দা প্রিয়ঙ্কা দে। পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার রাত থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা বিগড়াতে শুরু করে। শনিবার বেলা পর্যন্ত প্রিয়ঙ্কার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। কিন্তু তার সত্ত্বেও তাঁকে পর্যাপ্ত অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ।  শেষে নিঃশ্বাস নিতে না—পেরে ছটফট করতে করতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

প্রিয়ঙ্কার স্বামী গোপাল দে বলেন, ‘‌শুক্রবার রাত থেকে অক্সিজেন নেই। অক্সিজেনের অভাবে আমার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।’‌ অনেক জ্বালা—যন্ত্রণা পেয়ে স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান গোপাল দে।

তাঁর অভিযোগ, হাসপাতালের তরফে অক্সিজেনের অভাব ও বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে প্রিয়ঙ্কার। গোপাল দে কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের কর্মী। নিঃশ্বাস নিতে না—পেরে কাতরাচ্ছিলেন তিনি। কষ্ট পেয়ে ওয়ার্ড থেকে নিজের মেয়েকে ফোন করেছিলেন প্রিয়ঙ্কা। চিকিৎসায় গাফিলতি ও অক্সিজেনের পর্যাপ্ত যোগান না—থাকায়, মৃত্যু হয়েছে স্ত্রীর। এমনই অভিযোগ করেছেন গোপাল দে। তবে এই বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি।

 

বন্ধ করুন