বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘‌খেলা–মেলা কিছুই তো বাদ নেই’‌, স্কুল বন্ধ থাকা নিয়ে তোপ দাগল বিরোধীরা
শমীক ভট্টাচার্য
শমীক ভট্টাচার্য

‘‌খেলা–মেলা কিছুই তো বাদ নেই’‌, স্কুল বন্ধ থাকা নিয়ে তোপ দাগল বিরোধীরা

  • এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কোনও পাল্টা মন্তব্য করেননি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে রয়েছে বিধিনিষেধ। করোনাভাইরাস দাপট দেখাতেই এই বিধিনিষেধ জারি করে নবান্ন। কিন্তু তার মধ্যেই হয়েছে গঙ্গাসাগর মেলা। কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে মেলাগুলির ক্ষেত্রে। পানশালা এবং মদের দোকান খোলা। পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বন্ধ রয়েছে স্কুল–কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়। এই পরিস্থিতিতে কেন বন্ধ স্কুল–কলেজ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা।

এখন অনলাইন ক্লাস চলছে সর্বত্র। এই বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘‌খেলা–মেলা কিছুই তো বাদ নেই। সবই চলছে। তাহলে স্কুল বন্ধ থাকবে কেন? কতদিন বাচ্চারা আর এভাবে ঘরে আটকা পড়ে থাকবে?’‌ এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কোনও পাল্টা মন্তব্য করেননি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

ঠিক কী বলেছেন বিজেপির মুখপাত্র?‌ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কটাক্ষ, ‘‌দেশের সব জায়গায় নিয়ম মেনে কোভিড–বিধি মেনে স্কুল খুলছে। মহারাষ্ট্রেও স্কুল খুলে গেল। বাংলা তো সবদিক থেকেই এগিয়ে। তাই একেবারে দরজা বন্ধ করে রেখেছে! এখানে স্কুল খোলার নাম নেই।’‌ করোনাভাইরাস এখনও রাজ্যে দাপট দেখাচ্ছে। তবে দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর।

উল্লেখ্য, স্কুল খোলা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে। পড়ুয়াদের ফের স্কুলমুখী করার জন্য জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। ১৫–১৮ বছর বয়সিদের টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু একেবারে ছোটদের টিকা এখনও আসেনি। তাই প্রাথমিক শিক্ষা আরও কিছুদিন বন্ধ থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বন্ধ করুন