বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > শালির সংস্থায় তিনিও ডিরেক্টর, জানতেনই না অর্পিতার ভগ্নিপতি
অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

শালির সংস্থায় তিনিও ডিরেক্টর, জানতেনই না অর্পিতার ভগ্নিপতি

  • কোম্পানি বিষয়ক দফতরের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায় ইচ্ছে এন্টারটেনমেন্টের ডিরেক্টর ২ জন। তার মধ্যে ১ জন অর্পিতা। অন্যজন কল্যাণ ধর। যিনি অর্পিতার ভগ্নিপতি ও সংস্থারই গাড়ির চালক।

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সংস্থা ইচ্ছে এন্টারটেইমেন্টের ডিরেক্টরের তালিকায় নাম রয়েছে তারই ভগ্নিপতি কল্যাণ ধরের। কিন্তু কল্যাণবাবু না কি সেকথা জানেনই না। বুধবার কসবার রাজডাঙা মেইন রোডে ইচ্ছে এন্টারটেনমেন্টের অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। তার মধ্যেই উঠে এসেছে আরেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ওই কোম্পানি নথিভুক্ত করাতে ভুয়ো ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন অর্পিতা।

কোম্পানি বিষয়ক দফতরের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায় ইচ্ছে এন্টারটেনমেন্টের ডিরেক্টর ২ জন। তার মধ্যে ১ জন অর্পিতা। অন্যজন কল্যাণ ধর। যিনি অর্পিতার ভগ্নিপতি ও সংস্থারই গাড়ির চালক। ওদিকে একথা শুনে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে কল্যাণবাবুর। কোম্পানি দফতরের ওয়েবসাইট বলছে ২০১৪ সালে তৈরি হয় ইচ্ছে এন্টারটেনমেন্ট। তখন ডিরেক্টর ছিলেন শুধু অর্পিতা। পরে ২০১৮ সালে যোগ হয় কল্যাণের নাম।

বুধবার কল্যাণ জানিয়েছেন, এব্যাপারে কিছুই জানা নেই তাঁর। সংস্থার গাড়ি চালাতেন তিনি। বেতন পেতেন ১০০০০ টাকা। আমার কাছে আধার কার্ড ভোটার কার্ড চেয়েছিল। কিন্তু তা দিয়ে এসব করবে কল্পনাও করতে পারিনি।

তিনি আরও জানিয়েছেন, এই বাড়ির ৩ তলার মধ্যে এতটি তলায় অফিস। বাকি ২টি তলা বিয়েবাড়ি ও শ্যুটিংয়ের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়। এই অফিসে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বহুবার এসেছেন।

তিনি বলেন, শালির কল্যাণেই চাকরিটা পাই। কিন্তু মাইনে বাড়াতে চাইছিল না। পরে অনেক বলাবলি করতে ১৯,০০০ টাকা মাইনে হয়।

 

বন্ধ করুন