বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > যাত্রীদের পাশাপাশি ট্রেন বাড়ানোর দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রীও, আজ বৈঠকে রেল–রাজ্য

যাত্রীদের পাশাপাশি ট্রেন বাড়ানোর দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রীও, আজ বৈঠকে রেল–রাজ্য

  • হাইকোর্ট একটি অর্ডারে জানিয়েছে, জনগণের স্বার্থে এই করোনা পরিস্থিতিতে ১৪ ও ১৫ নভেম্বর (‌কালীপুজো ও দীপাবলি)‌ এবং জগদ্ধাত্রী পুজোর দিন রাজ্য সরকার লোকাল ট্রেন পরিষেবা একেবারে বন্ধ রাখবে নাকি একেবারে কম সংখ্যায় চালাবে তা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিক।
করোনা আবহে প্রায় ৭ মাস বুধবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। আর বেলা বাড়তেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কোনও বালাই নেই ট্রেনে। স্বাভাবিকভাবে আগামীদিনে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়াতে দাবি তুলেছেন যাত্রীরা। একমাত্র তা হলেই এই পরিস্থিতি থেকে রেহাই মিলতে পারে বলে দাবি প্রায় সকলেরই। ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)
1/10করোনা আবহে প্রায় ৭ মাস বুধবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। আর বেলা বাড়তেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কোনও বালাই নেই ট্রেনে। স্বাভাবিকভাবে আগামীদিনে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়াতে দাবি তুলেছেন যাত্রীরা। একমাত্র তা হলেই এই পরিস্থিতি থেকে রেহাই মিলতে পারে বলে দাবি প্রায় সকলেরই। ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)
বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়াতে রেল কর্তৃপক্ষকে আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘‌ট্রেন বাড়লে এতটা ভিড় থাকবে না। তাতে করোনা সংক্রমণ কিছুটি হলেও কম ছড়াবে।’‌ জানা গিয়েছে, ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে আজ, বৃহস্পতিবার রেলের সঙ্গে বৈঠকে বসছে রাজ্য সরকার। ছবি সৌজন্য : রয়টার্স (REUTERS)
2/10বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়াতে রেল কর্তৃপক্ষকে আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘‌ট্রেন বাড়লে এতটা ভিড় থাকবে না। তাতে করোনা সংক্রমণ কিছুটি হলেও কম ছড়াবে।’‌ জানা গিয়েছে, ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে আজ, বৃহস্পতিবার রেলের সঙ্গে বৈঠকে বসছে রাজ্য সরকার। ছবি সৌজন্য : রয়টার্স (REUTERS)
বুধবার প্রথমদিন মোট ৬৯৬টি ট্রেন চালানো হয়েছে। রেল জানিয়েছে, তার মধ্যে ৮৫ শতাংশ ট্রেনই চালানো হয়েছে অফিস টাইমের ভিড় সামলাতে। স্বাভাবিকভাবেই রেল পরিষেবা চালু হতে স্বস্তি ফিরেছে লাখ লাখ যাত্রীদের মনে। যাঁরা শহরবাসী, গ্রামবাসী থেকে শুরু করে প্রতিবেশী জেলা থেকে যাঁরা কলকাতা ও হাওড়ায় কর্মসূত্রে আসেন তাঁরা এখন অনেকটাই নিশ্চিন্ত। যদিও হকারদের এখন ট্রেনে ওঠার অনুমতি মেলেনি। ছবি সৌজন্য : এএনআই
3/10বুধবার প্রথমদিন মোট ৬৯৬টি ট্রেন চালানো হয়েছে। রেল জানিয়েছে, তার মধ্যে ৮৫ শতাংশ ট্রেনই চালানো হয়েছে অফিস টাইমের ভিড় সামলাতে। স্বাভাবিকভাবেই রেল পরিষেবা চালু হতে স্বস্তি ফিরেছে লাখ লাখ যাত্রীদের মনে। যাঁরা শহরবাসী, গ্রামবাসী থেকে শুরু করে প্রতিবেশী জেলা থেকে যাঁরা কলকাতা ও হাওড়ায় কর্মসূত্রে আসেন তাঁরা এখন অনেকটাই নিশ্চিন্ত। যদিও হকারদের এখন ট্রেনে ওঠার অনুমতি মেলেনি। ছবি সৌজন্য : এএনআই
দক্ষিণ ২৪ পরগনার লক্ষ্মীকান্তপুরের বাসিন্দা পেশায় পরিচারিকা সরলা দাস বলছিলেন, ‘আমাদের মতো লোকজন যাঁরা কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে আসেন ট্রেন চালু হওয়া তাঁদের কাছে বিরাট স্বস্তি। আমি প্রায় ৭ মাস পর কলকাতায় এলাম‌। করোনা মহামারীতে আমার কাজ চলে গিয়েছিল। কলকাতায় ফিরে এখন আবার আমি নতুন কাজ খুঁজে পাব।’‌ ছবি সৌজন্য : এএনআই
4/10দক্ষিণ ২৪ পরগনার লক্ষ্মীকান্তপুরের বাসিন্দা পেশায় পরিচারিকা সরলা দাস বলছিলেন, ‘আমাদের মতো লোকজন যাঁরা কলকাতায় জীবিকার সন্ধানে আসেন ট্রেন চালু হওয়া তাঁদের কাছে বিরাট স্বস্তি। আমি প্রায় ৭ মাস পর কলকাতায় এলাম‌। করোনা মহামারীতে আমার কাজ চলে গিয়েছিল। কলকাতায় ফিরে এখন আবার আমি নতুন কাজ খুঁজে পাব।’‌ ছবি সৌজন্য : এএনআই
প্রায় প্রতিটি স্টেশনে ঢোকা এবং বেরোনার জন্য আলাদা প্রবেশদ্বার রাখা হয়েছে। কোনও যাত্রী মাস্ক ছাড়া বা থার্মাল স্ক্যানিং না করিয়ে যাতে প্লাটফর্মে না ঢোকে তা কড়া নজরে খেয়াল রাখছে পুলিশ এবং রেল সুরক্ষা বাহিনী। প্লাটফর্ম আর টিকিট কাউন্টারে লাইনেও থাকছে কড়া নজরদারি। ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)
5/10প্রায় প্রতিটি স্টেশনে ঢোকা এবং বেরোনার জন্য আলাদা প্রবেশদ্বার রাখা হয়েছে। কোনও যাত্রী মাস্ক ছাড়া বা থার্মাল স্ক্যানিং না করিয়ে যাতে প্লাটফর্মে না ঢোকে তা কড়া নজরে খেয়াল রাখছে পুলিশ এবং রেল সুরক্ষা বাহিনী। প্লাটফর্ম আর টিকিট কাউন্টারে লাইনেও থাকছে কড়া নজরদারি। ছবি সৌজন্য : পিটিআই (PTI)
কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উধাও হয়ে যাচ্ছে সামাজিক দূরত্ববিধি। বিভিন্ন স্টেশন ও ট্রেনে সেই আগের মতো যাত্রীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। দুটি আসনের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য চিহ্নিত আসনেও বসে পড়ছেন যাত্রীরা। এমনকী এক যাত্রীর কোলে উঠে বসছেন আরেকজন। অফিস টাইমে ঠেলাঠেলি, গায়ের ওপর উঠে পড়ার মতো ভিড় তো রয়েছেই। ছবি সৌজন্য :‌ এএনআই
6/10কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উধাও হয়ে যাচ্ছে সামাজিক দূরত্ববিধি। বিভিন্ন স্টেশন ও ট্রেনে সেই আগের মতো যাত্রীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। দুটি আসনের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য চিহ্নিত আসনেও বসে পড়ছেন যাত্রীরা। এমনকী এক যাত্রীর কোলে উঠে বসছেন আরেকজন। অফিস টাইমে ঠেলাঠেলি, গায়ের ওপর উঠে পড়ার মতো ভিড় তো রয়েছেই। ছবি সৌজন্য :‌ এএনআই
বারাসত থেকে ট্রেনে উঠেছিলেন পিনাকী দেবনাথ। বলছিলেন, ‘‌আমি যে কামরায় ছিলাম তাতে কোনও আসনই ফাঁকা ছিল না। বেশিরভাগ লোকজন দাঁড়িয়েই ছিল। প্রায় সকলের মুখে মাস্ক থাকলেও শারীরিক দূরত্ববিধি মানতে কাউকেই দেখা যায়নি। রেল যদি আরও কিছু ট্রেনের সংখ্যা বাড়ায় তা হলে আমাদের মতো যাত্রীদের খুবই সুবিধা হবে।’‌ ছবি সৌজন্য :‌ পিটিআই (PTI)
7/10বারাসত থেকে ট্রেনে উঠেছিলেন পিনাকী দেবনাথ। বলছিলেন, ‘‌আমি যে কামরায় ছিলাম তাতে কোনও আসনই ফাঁকা ছিল না। বেশিরভাগ লোকজন দাঁড়িয়েই ছিল। প্রায় সকলের মুখে মাস্ক থাকলেও শারীরিক দূরত্ববিধি মানতে কাউকেই দেখা যায়নি। রেল যদি আরও কিছু ট্রেনের সংখ্যা বাড়ায় তা হলে আমাদের মতো যাত্রীদের খুবই সুবিধা হবে।’‌ ছবি সৌজন্য :‌ পিটিআই (PTI)
ওদিকে, মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে যে সপ্তাহান্তে কালীপুজো ও দীপাবলির দিন ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখা সম্ভব কিনা। আদালত উল্লেখ করেছে, প্রতি বছরের তুলনায় এবার কলকাতায় দুর্গাপুজোর সময় এত কম ভিড় হওয়ার অন্যতম কারণ ট্রেন বন্ধ থাকা। (বুধবার জানবাজারের এক কালীপুজোর উদ্বোধন করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি সৌজন্য : এএনআই)
8/10ওদিকে, মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে যে সপ্তাহান্তে কালীপুজো ও দীপাবলির দিন ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখা সম্ভব কিনা। আদালত উল্লেখ করেছে, প্রতি বছরের তুলনায় এবার কলকাতায় দুর্গাপুজোর সময় এত কম ভিড় হওয়ার অন্যতম কারণ ট্রেন বন্ধ থাকা। (বুধবার জানবাজারের এক কালীপুজোর উদ্বোধন করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি সৌজন্য : এএনআই)
হাইকোর্ট একটি অর্ডারে জানিয়েছে, জনগণের স্বার্থে এই করোনা পরিস্থিতিতে ১৪ ও ১৫ নভেম্বর (‌কালীপুজো ও দীপাবলি)‌ এবং জগদ্ধাত্রী পুজোর দিন রাজ্য সরকার লোকাল ট্রেন পরিষেবা একেবারে বন্ধ রাখবে নাকি একেবারে কম সংখ্যায় চালাবে তা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিক। এই বিষয়ে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে রাজ্য। ছবি সৌজন্য : এএনআই
9/10হাইকোর্ট একটি অর্ডারে জানিয়েছে, জনগণের স্বার্থে এই করোনা পরিস্থিতিতে ১৪ ও ১৫ নভেম্বর (‌কালীপুজো ও দীপাবলি)‌ এবং জগদ্ধাত্রী পুজোর দিন রাজ্য সরকার লোকাল ট্রেন পরিষেবা একেবারে বন্ধ রাখবে নাকি একেবারে কম সংখ্যায় চালাবে তা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিক। এই বিষয়ে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে রাজ্য। ছবি সৌজন্য : এএনআই
লোকাল ট্রেন চালু হওয়ায় শহরে আরও বেশি লোকজন আসতে শুরু করেছে। সেদিকে নজর রেখেই বুধবার থেকে ভিড় সামলাতে আরও ২৫ শতাংশ বেশি যাত্রী পরিবহণের ব্যবস্থা করেছে কলকাতা মেট্রো। ছবি সৌজন্য :‌ পিটিআই (PTI)
10/10লোকাল ট্রেন চালু হওয়ায় শহরে আরও বেশি লোকজন আসতে শুরু করেছে। সেদিকে নজর রেখেই বুধবার থেকে ভিড় সামলাতে আরও ২৫ শতাংশ বেশি যাত্রী পরিবহণের ব্যবস্থা করেছে কলকাতা মেট্রো। ছবি সৌজন্য :‌ পিটিআই (PTI)
অন্য গ্যালারিগুলি