বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > Kolkata Airport: কলকাতা বিমানবন্দরে মিলছে না যাত্রী পরিষেবা, জমা পড়ল বিস্তর অভিযোগ

Kolkata Airport: কলকাতা বিমানবন্দরে মিলছে না যাত্রী পরিষেবা, জমা পড়ল বিস্তর অভিযোগ

কলকাতা বিমানবন্দর।

বিমানবন্দরের বিরুদ্ধে যাত্রীদের আরও অভিযোগ, ট্রলির জন্য যাত্রীদের বিমানবন্দরে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তাই বয়স্ক মানুষদের ব্যাগপত্র নিয়ে যেতে অসুবিধা হচ্ছে। উৎসবের মরশুম চলবে ডিসেম্বর–জানুয়ারি পর্যন্ত। তখন বড়দিন, ইংরেজি নববর্ষ রয়েছে। ফলে যাত্রী সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

এবার কলকাতা বিমানবন্দরের বিরুদ্ধে উঠল বিস্তর অভিযোগ। উৎসবের মরশুমে যাত্রী সংখ্যা এক লাফে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে। কিন্তু যাত্রীদের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যথাযথ পরিষেবা দিতে পারছে না বলে অভিযোগ জমা পড়েছে। এই নিয়ে জোর শোরগোল পড়ে গিয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে। এমনকী যাত্রী পরিষেবা না পেয়ে সে কথা তুলে ধরেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনকী একাধিক যাত্রী অভিযোগ, পরিষেবা মিলবে না কেন?

কেন যাত্রী সংখ্যা বাড়ল?‌ এবার দুর্গাপুজোর সময় থেকেই কলকাতায় পর্যটকের সংখ্যা একলাফে অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল। দুর্গাপুজো ও রেড রোডের কার্নিভাল সামনে থেকে দেখতে বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকরা এসেছিলেন। অন্যান্য রাজ্য থেকেও এসেছিলেন বহু পর্যটক। যাঁরা প্রবাসী, তাঁরা অনেকেই দুর্গাপুজোর সময় বাড়ি ফেরার জন্য কলকাতা বিমানবন্দরে এসে নেমেছেন। আবার ভ্রমণপিপাসু বাঙালি পুজোর ছুটিতে কলকাতা বিমানবন্দর হয়ে অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে গিয়েছিলেন। ফলে এক লহমায় যাত্রী সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে।

বিষয়টি ঠিক কী ঘটেছে?‌ সূত্রের খবর, উৎসব মরশুমে যাত্রীর সংখ্যা দিনে ৫০ হাজার ছাপিয়ে গিয়েছে। আপ–ডাউন মিলিয়ে দিনে ৩০০’র উপর বিমান কলকাতা বিমানবন্দরকে ব্যবহার করছে। তবে যাত্রী সংখ্যা বাড়লেও সব সুযোগ–সুবিধা ও পরিষেবা মিলছে না বলে অভিযোগ করছেন যাত্রীরা। যাত্রীদের বক্তব্য, বিমানবন্দরের টয়লেটে লিকুইড সাবান, টিস্যু পেপার কিছুই থাকছে না। বিষয়টি তাঁরা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নজরেও এনেছেন। কর্তৃপক্ষ আবার এই দায় ঠেলে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থার উপর। যারা লিকুইড সাবান বা টিস্যু পেপার সরবরাহ করে।

আর কী অভিযোগ উঠেছে?‌ বিমানবন্দরের বিরুদ্ধে যাত্রীদের আরও অভিযোগ, ট্রলির জন্য যাত্রীদের বিমানবন্দরে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তাই বয়স্ক মানুষদের ব্যাগপত্র নিয়ে যেতে অসুবিধা হচ্ছে। উৎসবের মরশুম চলবে ডিসেম্বর–জানুয়ারি পর্যন্ত। তখন বড়দিন, ইংরেজি নববর্ষ রয়েছে। ফলে যাত্রী সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। সেখানে এভাবে পরিষেবা না পেলে ক্ষোভ তৈরি হবে। তাই যাত্রীদের স্বার্থে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের উচিত পরিষেবাকে আরও উন্নত করা।

বন্ধ করুন