বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বাড়িতে বসেই দেওয়া যাবে অকৃষি জমির খাজনা, নতুন বছর রাজ্যবাসীকে উপহার সরকারের
বাড়িতে বসেই দেওয়া যাবে অকৃষি জমির খাজনা, নতুন বছরে রাজ্যবাসীকে উপহার। ছবিটি প্রতীকী।
বাড়িতে বসেই দেওয়া যাবে অকৃষি জমির খাজনা, নতুন বছরে রাজ্যবাসীকে উপহার। ছবিটি প্রতীকী।

বাড়িতে বসেই দেওয়া যাবে অকৃষি জমির খাজনা, নতুন বছর রাজ্যবাসীকে উপহার সরকারের

  • যেতে হবে না কোনও অফিস-কাছারিতে। বাড়িতে বসেই দেওয়া যাবে অকৃষি জমির খাজনা। এর জন্য আপনার কাছে শুধু থাকতে হবে স্মার্টফোন। নতুন বছরে রাজ্যবাসীকে এই উপহার দিতে চলেছে রাজ্য সরকার।

এবার অকৃষি জমির খাজনা দেওয়ার জন্য দিতে হবে না দীর্ঘ লাইন। যেতে হবে না কোনও অফিস-কাছারিতে। বাড়িতে বসেই দেওয়া যাবে অকৃষি জমির খাজনা। এর জন্য আপনার কাছে শুধু থাকতে হবে স্মার্টফোন। নতুন বছরে রাজ্যবাসীকে এই উপহার দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। এর ফলে সাধারণ মানুষ যেমন উপকৃত হবেন, তেমনিই রাজ্য সরকারের আর্থিক কাঠামোও কিছুটা মজবুত হবে।

অনলাইনে কিভাবে অকৃষি জমির খাজনা দেবেন?

সরকারি সূত্রের খবর, অনলাইনে অকৃষি জমির খাজনা দেওয়ার জন্য প্রথমে ‘বাংলার ভূমি’ পোর্টালে যেতে হবে। সেখানে সিটিজেন সার্ভিস অপশনে গিয়ে লগ ইন করতে হবে। তারপরে একটি রেজিস্ট্রেশন ফর্ম বেরিয়ে আসবে। এই ফর্মে নিজের নাম, ঠিকানা , মোবাইল নম্বর ও ই-মেল অ্যাড্রেস দিতে হবে। সেটি সম্পন্ন হয়ে গেলেই জমির মৌজা, দাগ ও খতিয়ান নম্বর দিয়ে খাজনা সংক্রান্ত তথ্য জানতে পারবেন। সেখানে গিয়ে অতি সহজেই বাকি খাজনা মেটাতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কোনও ঝামেলা ছাড়াই পেয়ে যাবেন খাজনা জমা দেওয়ার রসিদ।

নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী বছর থেকে এই ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূকভাবে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে বিভিন্ন জেলার একাধিক ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার অফিসে। তবে সর্বসাধারণের জন্য এই ব্যবস্থা চালু করার জন্য কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে সরকার। জেলায় জেলায় যে সমস্ত মাস্টার ট্রেনার রয়েছে তাদের এবিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে রাজ্য।

ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার সুবিধা অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। অনলাইনে জমির রেকর্ড, মিউটেশন, কনভার্সনের জন্য আবেদন প্রভৃতি ব্যবস্থা অনলাইনে করা হয়েছে। আরও একধাপ এগিয়ে অকৃষি জমির খাজনা দেওয়ার ব্যবস্থা অনলাইনে করার ফলে বাড়ি এবং বিদেশে থাকা মানুষ যেমন উপকৃত হবেন। পাশাপশি দালাল রাজও রোখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সরকারি আধিকারিকরা।

বন্ধ করুন