বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > হেলিকপ্টারে কলকাতা থেকে দিঘা যাওয়ার ইচ্ছা আছে? সতর্ক থাকুন, হতে পারে এরকম ঘটনা!
কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে করে দিঘা যাওয়ার পরিষেবা রাজ্য সরকার চালু করলেও তা বহুদিন আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে করে দিঘা যাওয়ার পরিষেবা রাজ্য সরকার চালু করলেও তা বহুদিন আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

হেলিকপ্টারে কলকাতা থেকে দিঘা যাওয়ার ইচ্ছা আছে? সতর্ক থাকুন, হতে পারে এরকম ঘটনা!

  • সাবধান।

সপরিবারে কলকাতা থেকে দিঘায় ঘুরতে যাওয়ার শখ ছিল। হেলিকপ্টারে করে। আর সেই শখ মেটাতে গিয়ে কয়েক হাজার টাকা খুইয়ে বসলেন কলকাতার পাটুলি থানা এলাকার এক বাসিন্দা। কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে করে দিঘা যাওয়ার পরিষেবা রাজ্য সরকার চালু করলেও তা বহুদিন আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তারপরেও বহু ওয়েবসাইটে কলকাতা থেকে দিঘায় হেলিকপ্টার পরিষেবা দেওয়ার দাবি করা হচ্ছে। আর প্রতারকদের সেই ফাঁদে পা দিচ্ছেন বহু মানুষ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাটুলির ওই বাসিন্দার নাম শাশ্বতী দে। তিনি বৃদ্ধা মা, দিদি এবং মাসিকে নিয়ে বেশ কয়েকমাস ধরেই দিঘা যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। ইন্টারনেটে এ বিষয়ে তথ্য খুঁজতে খুঁজতে তিনি হেলিকপ্টারে করে দিঘায় যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। এরপরে ‘ড্রিম সফর ডট কম’ নামে একটি ওয়েবসাইটে গিয়ে জানতে পারেন বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে সরকারিভাবে হেলিকপ্টারে করে দিঘায় যাওয়ার পরিষেবা রয়েছে। তা জানার পরেই হেলিকপ্টারে করে দিঘায় যাওয়ার ইচ্ছা হয় তাঁর। এরপরে ওয়েবসাইটে দেওয়া ফোন নম্বরের মাধ্যমে তিনি ওই সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

মহিলার অভিযোগ, সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয় সরকারিভাবেই এই পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি টিকিটের দাম ২,২৮০ টাকা। সেই মতোই তিনি চারজনের জন্য টিকিট কাটেন। একটি অ্যাকাউন্টে মোট ৯,১২০ টাকা দিতে বলা হয়। সেই মতোই টাকা দিয়ে দেন। তারপর যাত্রীদের বিমার জন্য ওই সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের কাছে আরও কয়েক হাজার টাকা দাবি করা হয়। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিমার টাকা না দিলে তাঁদের টিকিট দেওয়া হবে না। এরপরে পুরো বিষয়টি মহিলার কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়। তিনি বিমার টাকা দিতে অস্বীকার করেন। সঙ্গে টিকিটও দিতে বলেন। কিন্তু, সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয় তাঁদের টিকিট দেওয়া হবে না। টাকাও ফেরত দেওয়া হবে না। এরপরে বেহালা থানায় অভিযোগ করেন ওই মহিলা। জানা গিয়েছে ঘটনা তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সাইবার ক্রাইম পুলিশের হাতে।

বন্ধ করুন