বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > দাদা অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দিন,বেড চাই, অষ্টমীতেই ফোন রেড ভলান্টিয়ার্সদের কাছে
করোনা অতিমারিতে বার বার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নজির তৈরি করেছেন রেড ভলান্টিয়ার্সরা (ফেসবুক)
করোনা অতিমারিতে বার বার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নজির তৈরি করেছেন রেড ভলান্টিয়ার্সরা (ফেসবুক)

দাদা অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে দিন,বেড চাই, অষ্টমীতেই ফোন রেড ভলান্টিয়ার্সদের কাছে

  • রেড ভলান্টিয়ার্সরা বলছেন, এভাবে মণ্ডপে ভিড় বাড়াবেন না। মাস্ক পরুন। বাড়িতে আড্ডা দিন। মন ভালো থাকবে।

এবার করোনা অতিমারিতে বার বারই সামনে এসেছেন রেড ভলান্টিয়াররা। একের পর এক নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পরেও বামপন্থী মনস্ক এই রেড ভলান্টিয়াররা যেভাবে করোনা অতিমারিতে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তা নজর কেড়েছে অনেকেরই। এবার পুজোর আনন্দে গা ভাসিয়ে সাধারণ মানুষ যখন বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছেন করোনা বিধিকে তখনও ফের এগিয়ে আসছেন সেই রেড ভলান্টিয়াররাই। আসলে সেই বিপদের দিনগুলিতে মানুষ কীভাবে একটি অক্সিজেনের সিলিন্ডারের জন্য ছটফট করেছে তা বার বার দেখেছেন তাঁরা। সেই বিপদ যেন আর না ঘনায় বাংলার বুকে সেকারণে পুজোর দিনগুলিতেও সাধারণ মানুষকে করোনা সতর্কতা বিধি মেনে চলার ব্যাপারে নানা উদ্যোগ নিলেন রেড ভলান্টিয়ার্সরা। তবে এসবের মধ্যেই ফোন আসতে শুরু করেছে রেড ভলান্টিয়ার্সদের কাছে। বেড চেয়ে, অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়ে সেই সব ফোন ফের জানান দিচ্ছে, তবে কী সংকট আসন্ন? 

এদিকে করোনা পরিসংখ্যান ভয় দেখাচ্ছে অনেকেরই বুকে। গত কয়েকদিনে ক্রমেই উপরের দিকে উঠেছে করোনার গ্রাফ। তবে আর যাতে ভয়াবহ সংকটের মধ্যে পড়তে না হয় সাধারণ মানুষকে সেকারণে এগিয়ে এসেছেন রেড ভলান্টিয়ার্সরা। বাম নেত্রী দীপ্সিতা ধর বলেন, পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখা উচিৎ ছিল। মাস্ক পরা উচিৎ ছিল। অনেক কিছুই করা উচিৎ ছিল। সরকারের তরফে অনেক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কোটি কোটি টাকা পুজোর পেছনে খরচ হচ্ছে। আমরা সবাই এখন একটা আশঙ্কায় ভুগছি। 

রেড ভলান্টিয়ার্সরা বলছেন, এভাবে মণ্ডপে ভিড় বাড়াবেন না। মাস্ক পরুন। বাড়িতে আড্ডা দিন। মন ভালো থাকবে। তাঁরা বলছেন, আমরা তো আছি, থাকব। তবে সাধারণ মানুষকে সচেতন হতেই হব। না হলে এতদিন ধরে চিকিৎসকরা, স্বাস্থ্যকর্মীরা যে পরিশ্রম করেছেন সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। 

 

বন্ধ করুন