ডান দিকে তেলিনিপাড়ায় হিংসা পরবর্তী ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন স্থানীয় সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। বাঁ দিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ।
ডান দিকে তেলিনিপাড়ায় হিংসা পরবর্তী ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন স্থানীয় সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। বাঁ দিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

হুগলির তেলিনিপাড়ায় হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, দোকান, মন্দির ভাঙা হয়েছে: দিলীপ ঘোষ

  • দিলীপবাবু বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছিলাম রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। এটা তার উদাহরণ।’

করোনার বিরুদ্ধে লড়াই সামাজিক থেকে সাম্প্রদায়িক হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের ২ জেলার ২টি আলাদা ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে সোমবার এই মন্তব্য করেন তিনি। সঙ্গে তাঁর দাবি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। 

দিলীপবাবু সাংবাদিকদের বলেন, ‘গতকাল ২টি অপ্রিয় ঘটনা ঘটেছে। একটি হুগলির চন্দননগরে ও অন্যটি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে। বিশেষ সম্প্রদায়ের লোকেদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোয় পুলিশ তাদের ট্রেস করতে গেছিল। কিন্তু তা বোমা বন্দুক পর্যন্ত পৌঁছয়। ওই ঘটনা সাম্প্রদায়িক রং নিয়েছে। হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, দোকান, মন্দির ভাঙা হয়েছে।’

এর পর রাজ্য সরকারের উদ্দেশে তোপ দাগেন দিলীপবাবু। বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছিলাম রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। এটা তার উদাহরণ।’ দিলীপবাবু মন্তব্য করেন, ‘করোনা আটকাতে গিয়ে সামাজিক থেকে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের রূপ নিচ্ছে। খুব দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্য সরকারের এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিত।’

বলে রাখি, রবিবার রাতে হুগলির ভদ্রেশ্বর পুরসভা এলাকার তেলিনিপাড়ায় ২ গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। অভিযোগ, এলাকায় করোনা সংক্রমণ ছড়ালেও লকডাউন মানছেন না একটি গোষ্ঠীর মানুষ। অপর গোষ্ঠীর লোকজন এলাকার পথ-ঘাট আটকে দিলে উত্তেজনা ছড়ায়। সংঘর্ষের সময় তেলিনিপাড়ায় বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর করে আগুন ধরানো হয়। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ২ পক্ষের বেশ কয়েকজন। 

করোনার বিরুদ্ধে লড়াই সামাজিক থেকে সাম্প্রদায়িক হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাজ্যের ২ জেলার ২টি আলাদা ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে সোমবার এই মন্তব্য করেন তিনি। সঙ্গে তাঁর দাবি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। 

দিলীপবাবু সাংবাদিকদের বলেন, ‘গতকাল ২টি অপ্রিয় ঘটনা ঘটেছে। একটি হুগলির চন্দননগরে ও অন্যটি মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে। বিশেষ সম্প্রদায়ের লোকেদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোয় পুলিশ তাদের ট্রেস করতে গেছিল। কিন্তু তা বোমা বন্দুক পর্যন্ত পৌঁছয়। ওই ঘটনা সাম্প্রদায়িক রং নিয়েছে। হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, দোকান, মন্দির ভাঙা হয়েছে।’

এর পর রাজ্য সরকারের উদ্দেশে তোপ দাগেন দিলীপবাবু। বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছিলাম রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। এটা তার উদাহরণ।’ দিলীপবাবু মন্তব্য করেন, ‘করোনা আটকাতে গিয়ে সামাজিক থেকে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের রূপ নিচ্ছে। খুব দুর্ভাগ্যজনক। রাজ্য সরকারের এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিত।’

বলে রাখি, রবিবার রাতে হুগলির ভদ্রেশ্বর পুরসভা এলাকার তেলিনিপাড়ায় ২ গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। অভিযোগ, এলাকায় করোনা সংক্রমণ ছড়ালেও লকডাউন মানছেন না একটি গোষ্ঠীর মানুষ। অপর গোষ্ঠীর লোকজন এলাকার পথ-ঘাট আটকে দিলে উত্তেজনা ছড়ায়। সংঘর্ষের সময় তেলিনিপাড়ায় বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর করে আগুন ধরানো হয়। সংঘর্ষে আহত হয়েছেন ২ পক্ষের বেশ কয়েকজন। 

 

 

বন্ধ করুন