বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ভ্যাকসিন মিলবে না শুনেই স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়াল জনতা
এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই শুরু হয় বিক্ষোভ।
এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই শুরু হয় বিক্ষোভ।

ভ্যাকসিন মিলবে না শুনেই স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়াল জনতা

  • ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। পরে ১০০ জনকেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে জানানো হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তরফে।

ভ্যাকসিন না পেয়ে হাতাহাতি বাঁধলো স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে জনতার। কলকাতার দক্ষিণ শহরতলির ঠাকুরপুকুরের বসুন্ধরা পার্ক ক্ষুদিরামপল্লির ঘটনা। ক্ষুদিরামপল্লি আরবান প্রাইমারি হেলথ সেন্টারে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া নিয়ে শুক্রবার উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখলেও শেষে অস্বীকার করেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এতেই উত্তেজনা ছড়ায়।

ক্ষুদিরামপল্লির ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি থেকে শুক্রবার জানানো হয়, ১০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। সেই মতো নাম লিখিয়ে লাইনে দাঁড়ান স্থানীয়রা। কিন্তু বেলা গড়াতে জানানো হয় টিকা দেওয়া হবে ৭০ জনকে। এর পরই বাকি ৩০ জন উত্তেজিত হতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। কেন রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে রেখে ভ্যাকসিন দিতে অস্বীকার করা হচ্ছে সেই প্রশ্ন তোলেন। এই নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে বিবাদ বেঁধে যায় তাদের। ক্রমে হাতাহাতির উপক্রম হয়। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়। পরে ১০০ জনকেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে জানানো হয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তরফে। 

করোনার টিকাকরণ নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দেখা গিয়েছে অব্যবস্থা। বহু জায়গায় কে কখন টিকা নেবেন তার হিসাব রাখার লোক নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে হয়রানির মুখে পড়ছেন প্রবীণরা। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন মূলত তিনটি কারণে এই সংকট। প্রথমত, পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না থাকায় অনেক জায়গায় সীমিত সংখ্যায় টিকাকরণ হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, প্রথম দিকে যাঁরা টিকা নিয়েছিলেন তাদের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে। তৃতীয়ত, অনেকের এর আগে ভ্যাকসিন নেওয়ার সুযোগ থাকলেও গা করেননি। এখন করোনার বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় টিকাকরণ কেন্দ্রে হাজির হচ্ছেন তাঁরা।

 

বন্ধ করুন