বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > উপ-নির্বাচনের আগে জেলাছাড়া হয়ে বেসুরো প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ
রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। ফাইল ছবি
রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। ফাইল ছবি

উপ-নির্বাচনের আগে জেলাছাড়া হয়ে বেসুরো প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

  • তৃণমূলের অন্দরের খবর, কোচবিহারে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ সর্বজনবিদিত। বিশেষ করে উদয়ন গোষ্ঠীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ গোষ্ঠীর কোন্দল নিত্যদিন লেগেই থাকে। এই পরিস্থিতিতে রবিবাবুকে দিনহাটার নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে সম্মানজনক পুনর্বাসন দিয়েছে তৃণমূল।

পুজো মিটতেই একই দিনে বেসুরো উত্তরবঙ্গের আরও এক তৃণমূল নেতা। কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর পর এবার নিজের আক্ষেপের কথা প্রকাশ্যে বলেই ফেললেন কোচবিহারের তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। রবিবার দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি। যা নিয়ে শুরু হয়েছে চরম শোরগোল।

এদিন ফেসবুকে রবিবাবু লেখান, ‘জীবনে সঠিক কাজ করলেও মিলতে পারে অপমান অবহেলা। তাতে খারাপ লাগে...।’ কিন্তু কেন এমন কথা লিখলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী? তা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

বর্তমানে নিজের জেলা কোচবিহারের বাইরে রয়েছেন রবিবাবু। তাঁকে শান্তিপুরে উপ-নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে দলীয় নেতৃত্ব। যদিও নিজের জেলা কোচবিহারের দিনহাটা কেন্দ্রেও রয়েছে উপ-নির্বাচন। সেখানে দলের প্রার্থী ঘরের ছেলে উদয়ন গুহ। তৃণমূলের অন্দরের খবর, কোচবিহারে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ সর্বজনবিদিত। বিশেষ করে উদয়ন গোষ্ঠীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ গোষ্ঠীর কোন্দল নিত্যদিন লেগেই থাকে। এই পরিস্থিতিতে রবিবাবুকে দিনহাটার নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে সম্মানজনক পুনর্বাসন দিয়েছে তৃণমূল। কিন্তু তাতেও নাখুশ তিনি।

গত বিধানসভা নির্বাচনে নাটাবাড়ি কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী মিহির গোস্বামীর কাছে পরাজিত হন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। রাজনৈতিক মহলের মতে তার পর থেকেই জেলায় কমেছে তার প্রতিপত্তি। দলেও তাঁর গুরুত্ব কমেছে। যা মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

বলে রাখি, রবিবার দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন মালদার তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীও। বৈষ্ণবনগরে পুলিশের ওপর জালনোট পাচারকারীদের হামলার ঘটনায় দলের অন্দরে দুষ্কৃতীদের প্রতিপত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, ‘দুষ্কৃতীরা তৃণমূলে আশ্রয় নিচ্ছে। দল তা মেনেও নিচ্ছে। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।’

 

বন্ধ করুন