বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > কোনও টাকা বরাদ্দ হয়নি, রাস্তাশ্রী প্রকল্পের নামে ঢপের চপ করছেন মমতা: শুভেন্দু

কোনও টাকা বরাদ্দ হয়নি, রাস্তাশ্রী প্রকল্পের নামে ঢপের চপ করছেন মমতা: শুভেন্দু

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী  (PTI)

আমি পশ্চিমবঙ্গে গত ২ বছর বকেয়া না পাওয়া ঠিকাদারদের কাছে অনুরোধ করব আপনারা এই রাস্তার কাজ করবেন না। এই রাস্তার কাজে কোনও অর্থ বরাদ্দ হয়নি। মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর কোনও লিখিত নির্দেশ নেই। মুখে ফোন করে বলেছেন জেলাশাসকদের।

পঞ্চায়েত ভোটের মুখে রাজ্য ‘রাস্তাশ্রী’ প্রকল্পের নামে ঢপের চপ দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রকল্পের জন্য কোনও অর্থ বরাদ্দ করেনি রাজ্য সরকার। তাই ঠিকাদাররা রাস্তার কাজ করলেও কোনও পেমেন্ট পাবেন না। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠকে এমনই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন শুভেন্দুবাবু বলেন, ‘আইপ্যাক মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর ভাইপোকে বুদ্ধি দিয়েছে। রাস্তা সারাতে হবে। গ্রামে - গঞ্জে রাস্তাঘাটের অবস্থা খুব খারাপ। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত ১০ বছরে একটা রাস্তা করেননি। উল্টে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনাকে বাংলা গ্রাম সড়ক যোজনা নাম দিয়ে স্টিকার সেঁটেছেন’।

শুভেন্দুর দাবি, ‘মুখ্যমন্ত্রী ১১,৫০০ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির নামে আরেকটি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি ও ঢপের চপ দিচ্ছেন। এই রাস্তার জন্য না কি ৩০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ১৫ মার্চ মুখ্যমন্ত্রীর এই ১১,৫০০ কিলোমিটার রাস্তা সারাইয়ের শিলান্যাস করার কথা। আমি পশ্চিমবঙ্গে গত ২ বছর বকেয়া না পাওয়া ঠিকাদারদের কাছে অনুরোধ করব আপনারা এই রাস্তার কাজ করবেন না। এই রাস্তার কাজে কোনও অর্থ বরাদ্দ হয়নি। মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর কোনও লিখিত নির্দেশ নেই। মুখে ফোন করে বলেছেন জেলাশাসকদের। তারা প্রতিটা ব্লকে - অঞ্চলে ২টো ৩টে রাস্তা চিহ্নিত করে নারকেল ফাটানোর ব্যবস্থা করেছেন ১৫ মার্চ। এই রাস্তা কোনও প্রকল্পের অধীনে মেরামত হচ্ছে না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ইট পড়ছে, রাস্তা হচ্ছে এরকম একটা জিগির তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুরির লাইসেন্সটা রিনিউ করাতে চান। ঠিকাদারদের অনুরোধ করব, এই রাস্তার কাজ কেউ করবেন না। এক টাকাও পেমেন্ট আপনি পাবেন না’।

রাজ্যের খারাপ রাস্তা মেরামতির জন্য রাস্তাশ্রী প্রকল্প ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের অধীনে ১১,৫০০ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা মেরামতিতে ৩০০০ কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

 

বন্ধ করুন