বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বাসস্ট্যান্ডে ঢুকে পড়ল বেপরোয়া লরি, কংক্রিটের ছাউনির তলায় চাপা পড়ে ২ জনের মৃত্যু
লরির ধাক্কায় ভেঙে পড়া বাসস্ট্যান্ডের ছাউনি। ছবি : সংগৃহীত
লরির ধাক্কায় ভেঙে পড়া বাসস্ট্যান্ডের ছাউনি। ছবি : সংগৃহীত

বাসস্ট্যান্ডে ঢুকে পড়ল বেপরোয়া লরি, কংক্রিটের ছাউনির তলায় চাপা পড়ে ২ জনের মৃত্যু

  • রিটি ছুটে আসতে দেখে লাফিয়ে দোকান থেকে বেরিয়ে কোনওমতে প্রাণ বাঁচান মালিক। কিন্তু চায়ের দোকান–লাগোয় বাসস্ট্যান্ডে থাকা লোকজন নিজেদের বাঁচাতে পারেননি।

রাতভর কাজ করার পর ভোরে চা খেতে বেরিয়েছিলেন পেশায় ফটোগ্রাফার রোহিত জয়সওয়াল। দাঁড়িয়েছিলেন মানিকতলা বাজারের সামনে একটি বাসস্ট্যান্ডে। আচমকা দ্রুত গতিতে সেখানে ঢুকে পড়ে একটি লরি। পড়ে যায় বাসস্ট্যান্ডের কংক্রিটের ছাউনি। আর তার তলায় চাপা পড়েই মৃত্যু হল রোহিত–সহ দু’‌জনের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দু’‌জন। জানা গিয়েছে, মৃত আর একজনের নাম স্যমত যাদব। তিনি বিহারের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সোমবার ভোর ৫টা নাগাদ আর্মহাস্ট স্ট্রিট থানা এলাকায় মানিকতলা বাজারের কাছে প্রথমে ফুটপাথের বাগানে ধাক্কা মারে ওই লরিটি। এর পর সামনে থাকা ২টি ল্যাম্প পোস্ট গুড়িয়ে দেয় বেপরোয়া গতির ওই লরি। সামনেই ছিল একটি চায়ের দোকান। লরিটি ছুটে আসতে দেখে লাফিয়ে দোকান থেকে বেরিয়ে কোনওমতে প্রাণ বাঁচান মালিক। কিন্তু চায়ের দোকান–লাগোয় বাসস্ট্যান্ডে থাকা লোকজন নিজেদের বাঁচাতে পারেননি।

দ্রুত গতিতে লরিটি বাসস্ট্যান্ডের ২টো পিলারে ধাক্কা দেয়। আর তার জেরেই হুড়মুড়িয়ে পড়ে যায় বাসস্ট্যান্ডের কংক্রিটের ছাউনি। তার নীচেই চাপা পড়েন রোহিত জয়সওয়াল, স্যমত যাদব–সহ ৪ জন। স্থানীয় বাসিন্দারা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা রোহিত ও স্যমতকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে লরির চালক। লরিটিকে আটক করার পাশাপাশি চালকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে আর্মহাস্ট স্ট্রিট থানার পুলিশ।

বন্ধ করুন