বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > সরকারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন শিলিগুড়িতে করোনায় মৃতের পরিজনরা
প্রতীকি ছবি
প্রতীকি ছবি

সরকারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন শিলিগুড়িতে করোনায় মৃতের পরিজনরা

  • স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগ শিলিগুড়ির স্বাস্থ্যকর্তাদের বিরুদ্ধে



সরকারি কোয়ারেনটাইন পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শিলিগুড়িতে করোনায় মৃত মহিলার পরিজনরা। তাঁদের দাবি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করছে না প্রশাসন। এমনকী কোয়ারেনটাইনে থাকা অবস্থায় প্রশাসনের তরফে দেওয়া খাবারের মানও খুব খারপ বলে দাবি তাঁদের।

সোমবার ভোর রাতে শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মৃত্যু হয় কালিম্পংয়ের বাসিন্দা ৪৪ বছর বয়সী ওই মহিলার। তিন মেয়েকে নিয়ে ২১ জনের যৌথ পরিবারে থাকতেন তিনি। শনিবার তাঁর দেহে করোনার উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতেই পরিবারের সদস্যদের কোয়ারেনটাইনে পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করে স্বাস্থ্য দফতর। সোমবার তাঁদের কোয়ারেনটাইনে পাঠানো হয়। অভিযোগ, সেই সময় স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মানেনি প্রশাসন।

গত ১৯ মার্চ স্পাইসজেটের বিমানে চেন্নাই থেকে ফেরেন ওই মহিলা। ২০ মার্চ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বিজয় সিং নামে মৃতের এক আত্মীয়কে সোমবার জলপাইগুড়িতে কোয়ারেনটাইনে পাঠানো হয়। তাঁর অভিযোগ, ‘সবাইকে একটা গাড়িতে করে কোয়ারেনটাইনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে ২টি শিশুও আছে। মৃতের ঘনিষ্ঠদের আলাদা গাড়িতে নিয়ে যেতে প্রশাসনকে অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু সেকথা শোনা হয়নি। সবাইকে একই গাড়িতে অ্যাম্বুল্যান্সে জলপাইগুড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। যার ফলে সবার মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।‘ সঙ্গে তাঁর দাবি, পদস্থ কর্তারা হস্তক্ষেপ না করলে আরও খারাপ অভিজ্ঞতা হতে পারত আমাদের।

মৃতের আরেক আত্মীয় সৃষ্টি সরিতা সিং ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আমাদের দয়া করে সাহায্য করুন। আমার সঙ্গে শিশুরা রয়েছে। কিন্তু প্রশাসন এখনো কোনও পরীক্ষার ব্যবস্থা করেনি। গভীর রাতে আমাদের ঠান্ডা ভাত খেতে দিয়েছে। সকালে দিয়েছে পাঁউরুটি, কলা ও ঠান্ডা দুধের প্যাকেট।’

সেই পোস্ট ভাইরাল হতে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন, বিকেল ৪.৩০ মিনিট নাগাদ ফের পোস্ট করে মহিলা লেখেন ‘আমাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।’ পরিবারটিকে শহরের বাইরে রানিনগর কোয়ারেনটাইন সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সোমবার বিকেল ৪.৪৫ মিনিট পর্যন্ত তাঁরা জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালেই ছিলেন।

ঘটনার কথা স্বীকার করে জেলাশাসক অভিষেক তিওয়ারি বলেন, ‘আমরা ব্যাপারটা দেখছি।’ এই নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ির প্রশাসনিক কর্তারা। সোমবার দুপুরে জেলাগুলির সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ির আধিকারিা বলে সংবাদমাধ্যমের সামনে বিবৃতি দেবেন।’করা রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথ

বন্ধ করুন