বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ৬৫ নয়, এবার থেকে ৬৮ বছর, বাড়তে চলেছে অধ্যাপকদের অবসরের মেয়াদ
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের অবসরের মেয়াদ বাড়তে চলেছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের অবসরের মেয়াদ বাড়তে চলেছে। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

৬৫ নয়, এবার থেকে ৬৮ বছর, বাড়তে চলেছে অধ্যাপকদের অবসরের মেয়াদ

  • অধ্যাপকদের অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে মঙ্গলবার শিক্ষা দফতরের প্রশাসনিক বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

নতুন বছরে সুখবর পেতে চলেছেন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা। আবারও তাদের অবসরের মেয়াদ বাড়তে চলেছে। তাঁদের অবসরের মেয়াদ আরও ৩ বছর বৃদ্ধি করে ৬৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৮ বছর করতে চলেছে রাজ্য সরকার। আগামী ৩ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড বিলি নিয়ে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেই অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই একথা ঘোষণা করতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।

অধ্যাপকদের অবসরের বয়স বাড়ানোর বিষয়ে মঙ্গলবার শিক্ষা দফতরের প্রশাসনিক বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। দফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, অবসরের সময়সীমা বাড়ানো নিয়ে দাবি জানাচ্ছিলেন অধ্যাপকরা। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন বা ইউজিসির সুপারিশ মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগেও ইউজিসির সুপারিশ মেনে অধ্যাপকদের অবসরের সময়সীমা বাড়িয়েছিল রাজ্য। প্রথমে অধ্যাপকদের অবসরের সময়সীমা ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৬২ বছর করেছিল রাজ্য। পরে তা বাড়িয়ে ৬৫ করে। ইউজিসির সুপারিশ মেনে আরও একবার অধ্যাপকদের অবসরের মেয়াদ বাড়াতে চলেছে রাজ্য সরকার।

শিক্ষক মহলের মতে, ইউজিসি যেহেতু অধ্যাপকদের বেতনের একটি অংশ দিয়ে থাকে ফলে সেক্ষেত্রে তাদের সুপারিশ মানতে বাধ্য রাজ্য সরকার। এছাড়াও অধ্যাপকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম আছে যেগুলি খুবই কঠিন। সকলে অধ্যক্ষ পদে উন্নীত হতে পারেন না। অনেক সময় দেখা যায় পদোন্নতি হলেও সেই ক্ষেত্রে তাঁর অবসরের সময় চলে আসে। বর্তমানে রাজ্যের কলেজগুলোতে অনেক অধ্যক্ষ রয়েছেন যাদের বয়স ৬৫ বছরের কোটায়। সকলে অধ্যক্ষের মতো দক্ষ শিক্ষা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হন না। সমস্ত কথা মাথায় রেখেই অধ্যাপকদের অবসরের মেয়াদ বাড়ানোর সুপারিশ জানিয়েছে ইউজি সি। তবে সে ক্ষেত্রে সিনিয়র অধ্যাপকদের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরদের থেকে বেতন অনেক বেশি হওয়ায় সরকারিভাবে খরচ বাড়বে। পাশাপাশি নতুন করে নিয়োগের সুযোগ কমবে বলে মনে করছেন শিক্ষক মহলের একাংশ।

বন্ধ করুন