বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > শিক্ষামন্ত্রী ত্রিপুরা যাওয়ার সময় পান কিন্তু শিক্ষকদের অভিযোগ শোনার সময় পান না
সায়ন্তন বসু। ফাইল ছবি
সায়ন্তন বসু। ফাইল ছবি

শিক্ষামন্ত্রী ত্রিপুরা যাওয়ার সময় পান কিন্তু শিক্ষকদের অভিযোগ শোনার সময় পান না

  • এদিন সায়ন্তনবাবু আরও বলেন, শিক্ষিকাদের এই দুরবস্থার জন্য দায়ী রাজ্য সরকারই। তবে দাবি আদায়ের জন্য প্রাণের ঝুঁকি নেওয়াকে সমর্থন করে না দল।

বদলির প্রতিবাদে বিকাশ ভবনের সামনে গলায় বিষ ঢালা শিক্ষিকাদের ‘বিজেপির ক্যাডার’ বলে উল্লেখ করায় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর ত্রিপুর যাওয়ার সময় রয়েছে কিন্তু শিক্ষিকাদের সঙ্গে দেখা করার সময় নেই।

এদিন সায়ন্তনবাবু বলেন, ‘সমাজের মেরুদণ্ড যে শিক্ষকরা তাঁদের অবস্থায় আমরা ব্যথিত। রাজনীতি করতে গিয়ে কি একজন নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিতে পারেন? আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর ত্রিপুরা যাওয়ার সময় রয়েছে কিন্তু শিক্ষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সময় নেই। ব্রাত্যবাবুর উচিত ত্রিপুরা যাওয়া কমিয়ে জনপ্রতিনিধি হিসাবে তাঁর ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করা।’

এদিন সায়ন্তনবাবু আরও বলেন, শিক্ষিকাদের এই দুরবস্থার জন্য দায়ী রাজ্য সরকারই। তবে দাবি আদায়ের জন্য প্রাণের ঝুঁকি নেওয়াকে সমর্থন করে না দল। রাজনৈতিক আন্দোলন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই হওয়া উচিত।

সম্প্রতি শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের ৫ শিক্ষিকাকে কোচবিহারে বদলি করে রাজ্য সরকার। শিশুশিক্ষাকেন্দ্র ও মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রের ওই শিক্ষিকাদের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। তাঁদের অভিযোগ, সার্ভিস রুল অনুসারে তাদের বাড়ির ২ কিলোমিটারের মধ্যে কোনও স্কুলে পড়ানোর সুযোগ দিতে হবে। সেখানে বদলি করা হয়েছে কোচবিহারে। মঙ্গলবার বদলি হওয়া ৫ শিক্ষিকা বিকাশ ভবনে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে দেখা করতে এলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এর পর সবার সামনে বিষ খান ৫ জন। তাঁদের NRS ও আরজি কর মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বুধবার এক ফেসবুক পোস্টে আন্দোলনরত শিক্ষিকাদের ‘বিজেপির ক্যাডার’ বলে উল্লেখ করেন ব্রাত্য বসু। 

 

বন্ধ করুন