বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > BJP-র বিক্ষুব্ধদের বৈঠক শেষে অমিতাভ চক্রবর্তীর ওপর ক্ষোভ উগরে দিলেন শান্তনু
শান্তনু ঠাকুর।
শান্তনু ঠাকুর।

BJP-র বিক্ষুব্ধদের বৈঠক শেষে অমিতাভ চক্রবর্তীর ওপর ক্ষোভ উগরে দিলেন শান্তনু

  • তাঁর অভিযোগ, ‘কোনও একজন ব্যক্তি সংগঠনকে কুক্ষিগত করার জন্য সমস্ত বলিষ্ঠ নেতাদের বাদ দিয়ে কমিটি তৈরি করেছে। এতে স্পষ্ট যে এদের অন্য কোনও দলের সঙ্গে আঁতাত রয়েছে।

রাজ্য বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতাদের বৈঠক শেষে দলের রাজ্য সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। শনিবার কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের অতিথিনিবাসে বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতাদের দীর্ঘ বৈঠক চলে। এর পর শান্তনু বলেন, ‘চোখের সামনে দলকে শেষ হতে দেখতে পারবো না।’

এদিনের বৈঠকে শান্তনু ছাড়াও হাজির ছিলেন, ‘বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, মুকুটমণি অধিকারী। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার।’

এদিন শান্তনুবাবু বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রীজি ও বিজেপির হাতকে শক্ত করা। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে যে কমিটি তৈরি হয়েছে তাদের দলকে বৃহত্তর জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কোনও উদ্দেশ্য নেই। উপরের নেতাদের ভুল বার্তা দিয়ে কমিটি তৈরি হয়েছে। বিজেপির আগামী দিনে যে বিপর্যয় হতে চলেছে আমরা সবাই মিলে তার মোকাবিলা করতে চাই’।

তাঁর অভিযোগ, ‘কোনও একজন ব্যক্তি সংগঠনকে কুক্ষিগত করার জন্য সমস্ত বলিষ্ঠ নেতাদের বাদ দিয়ে কমিটি তৈরি করেছে। এতে স্পষ্ট যে এদের অন্য কোনও দলের সঙ্গে আঁতাত রয়েছে। শুধু রাজ্য কমিটি নয়, জেলা ও ব্লক ও বুথ কমিটি থেকেও পুরনো নেতাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। ৯০ শতাংশ পুরনো নেতাদের ছেঁটে ফেলা হয়েছে’।

শান্তনুবাবুর দাবি, ‘শুধু মতুয়া নয়, SC – OBC সম্প্রদায়ের মানুষকেও বঞ্চিত করা হয়েছে। আজ ভারতীয় জনতা পার্টিকে যারা ২ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশে নিয়ে গিয়েছেন তাদের বাদ দেওয়ার কারণটা কী? আজকে কি পার্টিকে আবার চারাগাছ থেকে তৈরি করবো? যেখানে সে একটা মাঝারি আকার পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে’?

তিনি স্পষ্ট করেন, ‘কোনও নেতার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযোগ তা প্রকাশ্যে বলবো না। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে সময়মতো জানাবো। আমরা তার অপসারণ চাইছি। তার একার জন্য পশ্চিমবঙ্গে গোটা বিজেপি ধ্বংস হয়ে যাবে এটা হতে দেবো না। কখনও হতে দেবো না’।

এদিন বিজেপির বিক্ষুব্ধদের বৈঠক নিয়ে চলে টানটান উত্তেজনা। বৈঠকের আগে পোর্ট ট্রাস্টের অতিথিনিবাসের সামনে টাঙানো হয় ব্যানার। তাতে লেখা ছিল. ‘বিজেপিকে শেষ করে নিজেদের আখের গোছানো চলবে না। তৃণমূলের এজেন্ট পচা বিজেপি নেতারা সাবধান’।

সূত্রের খবর, বিজেপি ভেঙে শ্যামাপদ মুখোপাধ্যায়ের নামে আলাদা দল তৈরি করতে পারেন বিক্ষুব্ধরা। 

 

বন্ধ করুন