বাড়ি > বাংলার মুখ > কলকাতা > CESC বাম জমানায় তৈরি, তাদের কি মারধর করব? প্রশ্ন মমতার
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

CESC বাম জমানায় তৈরি, তাদের কি মারধর করব? প্রশ্ন মমতার

  • মমতা বলেন, আমার কাছে কোনও অপশন নেই। কারণ সিইএসসিই জানে কোথায় কোন তার রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আমফান চলে যাওয়ার তিন দিন পরেও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন কলকাতা ও শহরতলির একাধিক এলাকা। বিদ্যুৎ ও জলের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় মানুষ। দেশে যে রাজ্যে বিদ্যুতের দাম সব থেকে বেশি সেখানে পরিষেবার হাল এমন হবে কেন প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। তার মধ্যেই মমতার পালটা প্রশ্ন, ‘সিইএসসিকে মারধর করব?’

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সিইএসসি আলাদা সংস্থা। আমাদের হাতে নেই। বাম জমানায় কেন্দ্রীয় আইনে তারা কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়া – হুগলির একাংশে বিদ্যুৎ বণ্টনের দায়িত্ব পায়। 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন নিগম সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করছে। বলে রাখি, সেখানে হাল আরও খারাপ। এর পর মমতা বলেন, আমার কাছে কোনও অপশন নেই। কারণ সিইএসসিই জানে কোথায় কোন তার রয়েছে। তারাই বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ফলে অন্য কাউকে দিয়ে মেরামতির কাজ করানো সম্ভব নয়। 

তিনি জানান, লকডাউনের জন্য অনেক কর্মী বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুসারে ২৫ শতাংশ লোক কাজ করছিল। অনেকে ইদের জন্য বাড়ি গিয়েছেন। আর বিদ্যুতের তার জোড়ার কাজ অভিজ্ঞ কর্মী না করলে বিপদ হতে পারে। 

তিনি জানান. ‘সিইএসসির মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গে আমার ফোনে অনেকবার কথা হয়েছে। মুখ্যসচিবও কথা বলেছেন। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা জানিয়েছেন, আমাদের লোক সব বাইরে চলে গিয়েছে। আমরা জানিয়েছি, যে করে হোক বিদ্যুৎ ফেরাতে হবে। কোনও কথা শুনতে চাই না।‘  

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আধঘণ্টা কারেন্ট চলে গেছে, ২ দিন কারেন্ট নেই বলে আমি ক্ষমা চাইতে পারি। নইলে একটা কাজ করুন। আমার মুন্ডুটা কেটে নিন।’

ঘূর্ণিঝড় আমফান চলে যাওয়ার তিন দিন পরেও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন কলকাতা ও শহরতলির একাধিক এলাকা। বিদ্যুৎ ও জলের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় মানুষ। দেশে যে রাজ্যে বিদ্যুতের দাম সব থেকে বেশি সেখানে পরিষেবার হাল এমন হবে কেন প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। তার মধ্যেই মমতার পালটা প্রশ্ন, ‘সিইএসসিকে মারধর করব?’

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সিইএসসি আলাদা সংস্থা। আমাদের হাতে নেই। বাম জমানায় কেন্দ্রীয় আইনে তারা কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়া – হুগলির একাংশে বিদ্যুৎ বণ্টনের দায়িত্ব পায়। 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন নিগম সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করছে। বলে রাখি, সেখানে হাল আরও খারাপ। এর পর মমতা বলেন, আমার কাছে কোনও অপশন নেই। কারণ সিইএসসিই জানে কোথায় কোন তার রয়েছে। তারাই বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ফলে অন্য কাউকে দিয়ে মেরামতির কাজ করানো সম্ভব নয়। 

তিনি জানান, লকডাউনের জন্য অনেক কর্মী বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। কারণ কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুসারে ২৫ শতাংশ লোক কাজ করছিল। অনেকে ইদের জন্য বাড়ি গিয়েছেন। আর বিদ্যুতের তার জোড়ার কাজ অভিজ্ঞ কর্মী না করলে বিপদ হতে পারে। 

তিনি জানান. ‘সিইএসসির মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গে আমার ফোনে অনেকবার কথা হয়েছে। মুখ্যসচিবও কথা বলেছেন। সঞ্জীব গোয়েঙ্কা জানিয়েছেন, আমাদের লোক সব বাইরে চলে গিয়েছে। আমরা জানিয়েছি, যে করে হোক বিদ্যুৎ ফেরাতে হবে। কোনও কথা শুনতে চাই না।‘  

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আধঘণ্টা কারেন্ট চলে গেছে, ২ দিন কারেন্ট নেই বলে আমি ক্ষমা চাইতে পারি। নইলে একটা কাজ করুন। আমার মুন্ডুটা কেটে নিন।’ 

বন্ধ করুন