বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ‘‌আমি কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিলাম’‌, সোনালি–মমতা সাক্ষাতে কী কথা হল?
সোনালি গুহ (ছবি সৌজন্য এএনআই)
সোনালি গুহ (ছবি সৌজন্য এএনআই)

‘‌আমি কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিলাম’‌, সোনালি–মমতা সাক্ষাতে কী কথা হল?

  • কালীঘাটে সোনালি গুহকে ডেকে পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দিদির ডাকে সাড়া দিয়ে সোনালি দিন ফিরে পেতে কালীঘাটে গেলেন সোনালি গুহ।

ফলপ্রকাশের একমাস হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের ঘরে সোনালি আভা দেখা দিয়েছিল। একুশের নির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছিলেন একদা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী সোনালি গুহ। এখন ক্ষমা চেয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে ফেরার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন সাতগাছিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক। তাহলে সোনালিকে আবার কাছে টেনে নেবেন তৃণমূলনেত্রী? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ কালীঘাটে সোনালি গুহকে ডেকে পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর দিদির ডাকে সাড়া দিয়ে সোনালি দিন ফিরে পেতে কালীঘাটে গেলেন সোনালি গুহ। এটাই এখন খবর।

এই বিষয়ে সোনালি গুহ বলেন, ‘‌আমি কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিলাম। দেখা হয়েছে দিদির সঙ্গে। দিদির ভাই প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর পারলৌকিক কাজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন দিদি। দিদিকে নমস্কার জানাই। উনিও আমায় নমস্কার জানান।’‌ এর বেশি কিছু বলতে চাইলেন না সোনালি গুহ। সুতরাং প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দলে ফেরার কথাও কী হয়েছে?‌ তৃণমূল কংগ্রেস কী আবার সোনালি গুহকে ফিরিয়ে নেবে?‌ সোনালির দাবি, ‘‌শরীরী ভাষা দেখে তো তাই মনে হয়। এবার দেখা যাক।’‌

দলে ফিরতে চেয়ে কিছুদিন আগে টুইট করেছিলেন সোনালি গুহ। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‌আমার প্রণাম নেবেন, আমি সোনালি গুহ। অত্যন্ত ভগ্ন হৃদয়ে বলছি, আমি আবেগপূর্ণ হয়ে চরম অভিমানে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য দলে গিয়েছিলাম। যেটা ছিল আমার চরম ভুল সিদ্ধান্ত। সেখানে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারিনি। মাছ যেমন জল ছাড়া বাঁচতে পারে না, তেমনই আমি আপনাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। দিদি, আমি আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আপনি ক্ষমা না করলে আমি বাঁচব না। আপনার আঁচলের তলে আমাকে টেনে নিয়ে বাকি জীবনটা আপনার স্নেহতলে থাকার সুযোগ করে দিন।’‌ এই টুইট রাজ্য–রাজনীতিতে ঝড় তুলে দিয়েছিল।

বন্ধ করুন