বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > ডি-লিটের জন্য মমতার নাম প্রস্তাব করেছিলেন সুবীরেশই, বদলে মিলেছিল ডইনাম
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি লিট উপাধি গ্রহণ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইনসাটে সুবীরেশ ভট্টাচার্য

ডি-লিটের জন্য মমতার নাম প্রস্তাব করেছিলেন সুবীরেশই, বদলে মিলেছিল ডইনাম

  • ২০১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেটের সদস্য হন সুবীরেশ। এর পরই মুখ্যমন্ত্রীকে ডি লিট দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয় বলে দাবি। তাঁর তরফ থেকেই মুখ্যমন্ত্রীকে ডি লিট দেওয়ার প্রস্তাব পেশ করা হয়।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ডি-লিট উপাধি প্রদানের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সুপারিশ করেছিলেন শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে CBI-এর হাতে গ্রেফতার SSC-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেটের সদস্য হিসাবে গভর্নিং বডির বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীকে ডি লিট দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনিই। তার পরই উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ করা হয় তাঁকে। অনেকের মতে, মুখ্যমন্ত্রীকে ডি লিট দেওয়ার পুরস্কার হিসাবে তাঁর পদপ্রাপ্তি হয়।

শিক্ষাজগতের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানাচ্ছেন, বাম আমলে সিপিএম ঘনিষ্ঠ ছিলেন সুবীরেশ। সেই যোগাযোগ কাজে লাগিয়েই ত্রিপুরা থেকে পশ্চিমবঙ্গে আসেন তিনি। তবে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে তার। তবে মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক বারবর সুবিদিত। মানিকের সৌজন্য ২০১৩ সাল থেকে কলকাতার একাধিক কলেজের পরিচালন সমিতিতে জায়গা পান সুবীরেশ। ২০১৪ সালে SSC-র চেয়ারম্যান হন তিনি। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি ওই পদে ছিলেন। মাঝে পার্থ চট্টোপাধ্যায় একবার তাঁকে পদ থেকে সরালেও মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ফের সেই পদে আসীন হন বলে দাবি শিক্ষামহলের একাংশের।

ইউক্রেনের পরমাণুকেন্দ্রের সামনে ফের রাশিয়ার আক্রমণ

২০১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেটের সদস্য হন সুবীরেশ। এর পরই মুখ্যমন্ত্রীকে ডি লিট দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয় বলে দাবি। তাঁর তরফ থেকেই মুখ্যমন্ত্রীকে ডি লিট দেওয়ার প্রস্তাব পেশ করা হয়। যে প্রস্তাব কার্যকর করেন কলকাতা বিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য সোনালী চট্টোপাধ্যায়। দিন কয়েক আগে যার নিয়োগ বেআইনি ঘোষণা করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

বিরোধীদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে ডি লিট দেওয়ার পুরস্কার হিসাবে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পান সুবীরেশ। অভিযোগ, নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে যথেচ্ছ দুর্নীতি করতেও পিছ পা হতেন না তিনি। এমনকী উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়েও তাঁর বিরুদ্ধে ভুরিভুরি দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

 

বন্ধ করুন