বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > আচার্যের কারণেই উপাচার্যদের দ্বিতীয়বার নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার :‌ ব্রাত্য
ব্রাত্য বসু। ফাইল ছবি

আচার্যের কারণেই উপাচার্যদের দ্বিতীয়বার নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার :‌ ব্রাত্য

রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘‌আমার মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যপাল করতে বয়ে গিয়েছে। তিনি তিন বারের জয়ী মুখ্যমন্ত্রী'।

আচার্যের কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের দ্বিতীয়বারের জন্য নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যপাল তথা আচার্যের বক্তব্য প্রসঙ্গে এই কথাই জানালেন রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। একইসঙ্গে গোটা প্রক্রিয়াটি যে বিধি অনুযায়ীই চলছে, সেই কথাই জানালেন তিনি।

অতি সম্প্রতি রাজভবনকে অন্ধকারে রেখে দ্বিতীয়বার উপাচার্যদের নিয়োগ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। রাজ্যপালের এই বক্তব্যের পর পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী জানান, ‘‌মাননীয় আচার্য অর্ধসত্য বলছেন। অর্ধসত্য মিথ্যার থেকেও ভয়ঙ্কর। একথা ছিল, সব উপাচার্যদের রাজ্য সরকার নিয়োগ করছেন দ্বিতীয়বারের জন্য। বিধি অনুযায়ী, দ্বিতীয়বারের জন্য অনুমোদন রাজ্য সরকার করতে পারে। যতক্ষণ না পর্যন্ত কোনও স্থায়ী উপাচার্য আসছেন, ততক্ষণ এই উপাচার্যরা অস্থায়ী কখনও তিন বছর, কখনও চার বছর, কখনও ৬ মাস তাঁদের পদে বহাল থাকতে পারবেন।’‌ কিন্তু স্থায়ী উপাচার্য কেন আসছেন না?‌ এই প্রসঙ্গে বলতে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘‌বিধি অনুযায়ী স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করতে হলে একটি সার্চ কমিটি গঠন করতে হয়। সেই সার্চ কমিটিতে একজন আচার্যের প্রতিনিধি, একজন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি ও একজন সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রতিনিধি থাকেন। আগে যতবারই সার্চ কমিটি গঠন করতে যাওয়া হয়েছে, ততবারই দেখা যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ও রাজ্য সরকারের তরফে প্রতিনিধি পাঠিয়ে দেওয়া হলেও আচার্যের তরফে কোনও প্রতিনিধি আসছেন না।’‌

এই প্রসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ, ‘‌আচার্যের কারণেই উপাচার্যদের দ্বিতীয়বার নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। বিধি অনুযায়ী, প্রথমবার নিয়োগের পর দ্বিতীয়বার যদি কোনও উপাচার্যকে নিয়োগ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে রাজ্যপালের অনুমোদনের কোনও প্রয়োজন পড়ে না।’‌ সম্প্রতি রাজ্যপাল জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীকেই রাজ্যপাল দিন না। রাজ্যপালের এই বক্তব্যকে খণ্ডন করে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘‌আমার মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যপাল করতে বয়ে গেছে। তিনি তিন বারের জয়ী মুখ্যমন্ত্রী। ওই একবারের জন্য রাজ্যপালের কোনও এমএলএ–এর আচার্য হওয়া নয়। সিলেকটেড ও ইলেকটেডের মধ্যে যে ফারাক আছে গণতন্ত্রে, এইটুকু আমি বলতে পারি।’‌

বন্ধ করুন